নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামের সেই অন্ধ মুয়াজ্জিন, যিনি দড়ি ও বাঁশ বেয়ে মসজিদে যেতেন—আলহাজ্ব মোঃ আঃ রহমান মোল্লা আর নেই। ১২০ বছর বয়সে তিনি ২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল, রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় দীর্ঘ ১৭ বছরের এক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। নৃত্যশিল্পী ফিরোজ (২৯) দাবি করেছেন, প্রেমিকের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ার আশ্বাসে তিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করে পুরুষ থেকে নারী হয়েছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি তার প্রেমিক বিপ্লব হোসেন। ফিরোজ জানান, প্রেমিকের পরামর্শ ও বিয়ের আশ্বাসে তিনি ভারতে গিয়ে অস্ত্রোপচার ও হরমোন চিকিৎসার মাধ্যমে লিঙ্গান্তর সম্পন্ন করেন। তবে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থাতেই বিপ্লব দেশে অন্য এক নারীকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। দেশে ফিরে এ খবর জানতে পেরে ভেঙে পড়েন ফিরোজ। তার অভিযোগ, শুধু প্রতারণাই নয়—দীর্ঘ সম্পর্কের সময় বিপ্লব তার কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা নিয়েছেন, যা দিয়ে বাড়ি-গাড়ি করেছেন। এই অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। ঘটনাটি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোত কাদিরপুর গ্রামে। ফিরোজ সেখানে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্তমানে নৃত্য শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি সাভার শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমিতে নাচ শেখান এবং নিজস্ব একটি নৃত্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের উন্নয়নে কাজ করা একটি সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত আছেন। অন্যদিকে বিপ্লব হোসেন একই উপজেলার বাসিন্দা এবং বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ফিরোজের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল বলে স্বীকার করলেও প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। তার দাবি, ফিরোজই উল্টো তাকে চাপ দিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন। ফিরোজের বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের সম্পর্ক স্কুলজীবন থেকে শুরু হয়ে ঢাকায় একসঙ্গে বসবাস পর্যন্ত গড়ায়। পরবর্তীতে সম্পর্ককে বৈধ রূপ দিতে চাওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি এই বড় সিদ্ধান্ত নেন। তবে এখন তিনি দাবি করছেন, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তার জীবন ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে ন্যায়বিচার চান। অন্যদিকে বিপ্লবের পাল্টা অভিযোগে বিষয়টি আরও জটিল আকার নিয়েছে। পুরো ঘটনাটি এখন দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায়, প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তই নির্ণায়ক ভূমিকা রাখবে।
যুক্তরাষ্ট্রের Orlando শহরে ১০ বছর বয়সী এক মেয়ে, জুলিয়ানা ওসা, এক ভয়াবহ অ্যালিগেটরের হামলার মুখোমুখি হয়েও নিজের বুদ্ধি ও সাহসের জোরে প্রাণে বেঁচে গেছে। ঘটনাটি ঘটে Moss Park এলাকায়, যেখানে সে অগভীর পানিতে হাঁটছিল। হঠাৎ প্রায় নয় ফুট লম্বা একটি অ্যালিগেটর তার পায়ে কামড়ে ধরে। আতঙ্কিত না হয়ে জুলিয়ানা একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল মনে করে, যা সে আগে Gatorland ভ্রমণের সময় শিখেছিল। সে দ্রুত অ্যালিগেটরের নাকে আঙুল ঢুকিয়ে দেয় এবং একই সঙ্গে তার মুখ খোলার চেষ্টা করে। এই কৌশল কাজ করে—অ্যালিগেটরটি তার পা ছেড়ে দেয় এবং সে একটি প্রাণঘাতী পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পায়। নিজেকে মুক্ত করার পর জুলিয়ানাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তার ক্ষত ও আঘাতের চিকিৎসা করা হয়। শারীরিকভাবে সে সুস্থ হয়ে উঠলেও তার অসাধারণ সাহসিকতা সবার মনে গভীর ছাপ ফেলে। মাত্র ১০ বছর বয়সে ভয়ংকর পরিস্থিতিতে তার শান্ত থাকা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। পরবর্তীতে বন্যপ্রাণী কর্মকর্তারা অ্যালিগেটরটিকে ধরে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে দেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে। জুলিয়ানার এই গল্প দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তার সাহস, উপস্থিত বুদ্ধি ও মানসিক দৃঢ়তা অনেককে অনুপ্রাণিত করে। এই ঘটনা আমাদের শেখায়, বিপদের সময় প্রস্তুত থাকা, নিরাপত্তা সংক্রান্ত শিক্ষা মনে রাখা এবং শান্ত থাকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। জুলিয়ানার বেঁচে যাওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে, সঠিক জ্ঞান ও আত্মবিশ্বাস থাকলে ছোটরাও কঠিন পরিস্থিতিতে অসাধারণ সাহস দেখাতে পারে। তার এই গল্পটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে এবং এটি যেমন অনুপ্রেরণার, তেমনি বন্যপ্রাণীর ঝুঁকি সম্পর্কে একটি সতর্কবার্তাও বটে।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় দীর্ঘ ১৭ বছরের এক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। নৃত্যশিল্পী ফিরোজ (২৯) দাবি করেছেন, প্রেমিকের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ার আশ্বাসে তিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করে পুরুষ থেকে নারী হয়েছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি তার প্রেমিক বিপ্লব হোসেন। ফিরোজ জানান, প্রেমিকের পরামর্শ ও বিয়ের আশ্বাসে তিনি ভারতে গিয়ে অস্ত্রোপচার ও হরমোন চিকিৎসার মাধ্যমে লিঙ্গান্তর সম্পন্ন করেন। তবে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থাতেই বিপ্লব দেশে অন্য এক নারীকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। দেশে ফিরে এ খবর জানতে পেরে ভেঙে পড়েন ফিরোজ। তার অভিযোগ, শুধু প্রতারণাই নয়—দীর্ঘ সম্পর্কের সময় বিপ্লব তার কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা নিয়েছেন, যা দিয়ে বাড়ি-গাড়ি করেছেন। এই অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। ঘটনাটি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোত কাদিরপুর গ্রামে। ফিরোজ সেখানে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্তমানে নৃত্য শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি সাভার শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমিতে নাচ শেখান এবং নিজস্ব একটি নৃত্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের উন্নয়নে কাজ করা একটি সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত আছেন। অন্যদিকে বিপ্লব হোসেন একই উপজেলার বাসিন্দা এবং বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ফিরোজের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল বলে স্বীকার করলেও প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। তার দাবি, ফিরোজই উল্টো তাকে চাপ দিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন। ফিরোজের বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের সম্পর্ক স্কুলজীবন থেকে শুরু হয়ে ঢাকায় একসঙ্গে বসবাস পর্যন্ত গড়ায়। পরবর্তীতে সম্পর্ককে বৈধ রূপ দিতে চাওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি এই বড় সিদ্ধান্ত নেন। তবে এখন তিনি দাবি করছেন, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তার জীবন ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে ন্যায়বিচার চান। অন্যদিকে বিপ্লবের পাল্টা অভিযোগে বিষয়টি আরও জটিল আকার নিয়েছে। পুরো ঘটনাটি এখন দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায়, প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তই নির্ণায়ক ভূমিকা রাখবে।
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামের সেই অন্ধ মুয়াজ্জিন, যিনি দড়ি ও বাঁশ বেয়ে মসজিদে যেতেন—আলহাজ্ব মোঃ আঃ রহমান মোল্লা আর নেই। ১২০ বছর বয়সে তিনি ২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল, রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
যুক্তরাষ্ট্রের Orlando শহরে ১০ বছর বয়সী এক মেয়ে, জুলিয়ানা ওসা, এক ভয়াবহ অ্যালিগেটরের হামলার মুখোমুখি হয়েও নিজের বুদ্ধি ও সাহসের জোরে প্রাণে বেঁচে গেছে। ঘটনাটি ঘটে Moss Park এলাকায়, যেখানে সে অগভীর পানিতে হাঁটছিল। হঠাৎ প্রায় নয় ফুট লম্বা একটি অ্যালিগেটর তার পায়ে কামড়ে ধরে। আতঙ্কিত না হয়ে জুলিয়ানা একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল মনে করে, যা সে আগে Gatorland ভ্রমণের সময় শিখেছিল। সে দ্রুত অ্যালিগেটরের নাকে আঙুল ঢুকিয়ে দেয় এবং একই সঙ্গে তার মুখ খোলার চেষ্টা করে। এই কৌশল কাজ করে—অ্যালিগেটরটি তার পা ছেড়ে দেয় এবং সে একটি প্রাণঘাতী পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পায়। নিজেকে মুক্ত করার পর জুলিয়ানাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তার ক্ষত ও আঘাতের চিকিৎসা করা হয়। শারীরিকভাবে সে সুস্থ হয়ে উঠলেও তার অসাধারণ সাহসিকতা সবার মনে গভীর ছাপ ফেলে। মাত্র ১০ বছর বয়সে ভয়ংকর পরিস্থিতিতে তার শান্ত থাকা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। পরবর্তীতে বন্যপ্রাণী কর্মকর্তারা অ্যালিগেটরটিকে ধরে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে দেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে। জুলিয়ানার এই গল্প দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তার সাহস, উপস্থিত বুদ্ধি ও মানসিক দৃঢ়তা অনেককে অনুপ্রাণিত করে। এই ঘটনা আমাদের শেখায়, বিপদের সময় প্রস্তুত থাকা, নিরাপত্তা সংক্রান্ত শিক্ষা মনে রাখা এবং শান্ত থাকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। জুলিয়ানার বেঁচে যাওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে, সঠিক জ্ঞান ও আত্মবিশ্বাস থাকলে ছোটরাও কঠিন পরিস্থিতিতে অসাধারণ সাহস দেখাতে পারে। তার এই গল্পটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে এবং এটি যেমন অনুপ্রেরণার, তেমনি বন্যপ্রাণীর ঝুঁকি সম্পর্কে একটি সতর্কবার্তাও বটে।
Install app for better experience