Linkeei Linkeei
    #ai #best #tructiepbongda #bongdatructuyen #xembongda
    Advanced Search
  • Login
  • Create a new account or Register

  • Night mode
  • © 2025 Linkeei
    About • Directory • Contact Us • Developers • Privacy Policy • Terms of Use • Refund • Linkeei App install

    Select Language

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

Watch

Watch Reels Movies

Events

Browse Events My events

Blog

Browse articles

Market

Latest Products

Pages

My Pages Liked Pages

More

Forum Explore Popular Posts Games Jobs Offers
Reels Watch Events Market Blog My Pages See all

Discover posts

Posts

Users

Pages

Group

Blog

Market

Events

Games

Forum

Movies

Jobs

shemanto saha
shemanto saha
3 yrs

https://www.amarload.com/2023/....03/refried-beans-rec
#refriendbeans #recipe

How to Make Authentic Refried Beans Recipe - AmarLoad.Com
Favicon 
www.amarload.com

How to Make Authentic Refried Beans Recipe - AmarLoad.Com

If you're looking for an authentic Mexican refried bean recipe, look no further! Our easy-to-follow step-by-step guide will have you enjoying
Like
Comment
Share
habib rahman
habib rahman  changed his profile picture
3 yrs

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

টিকটকে সরাসরি অর্থ আয় করা যাবে
***********************************************************************
জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতাদের সরাসরি আয়ের সুযোগ দিতে ‘সিরিজ’ নামের নতুন সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছে টিকটক। এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে কনটেন্ট নির্মাতারা ভিডিওর বিনিময়ের নেটওয়ার্কটিতে ভিডিও দেখানোর বিনিময়ে দর্শকের কাছ থেকে সরাসরি অর্থ সংগ্রহ করতে পারবেন।

এক ব্লগ বার্তায় টিকটক জানিয়েছে, নতুন এ পদ্ধতিতে আয়ের জন্য কনটেন্ট নির্মাতাদের কমপক্ষে ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এক বা একাধিক ভিডিও তৈরি করে সিরিজ অপশনে জমা রাখতে হবে। সর্বোচ্চ ৮০টি ভিডিও জমা রাখার সুযোগ মিলবে। সিরিজ অপশনে থাকা ভিডিওগুলো টাকার বিনিময়ে যেকোনো টিকটক ব্যবহারকারী দেখতে পারবেন। দর্শকদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ সরাসরি কনটেন্ট নির্মাতাদের অ্যাকাউন্টে চলে যাবে।

টিকটকের তথ্যমতে, নিজেদের তৈরি ভিডিও দেখার জন্য কনটেন্ট নির্মাতারা ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করতে পারবেন। ফলে বর্তমানের তুলনায় বেশি আয় করা যাবে। দর্শকেরাও নিজেদের পছন্দের কনটেন্ট নির্মাতাদের তৈরি আকারে বড় বিশেষায়িত ভিডিওগুলো দেখার সুযোগ পাবেন।

সম্প্রতি কনটেন্ট নির্মাতাদের আয়ের সুযোগ দিতে গিফটস নামের টুল চালু করেছে ইনস্টাগ্রাম। টুলটি কাজে লাগিয়ে নির্মাতারা চাইলেই বিশেষায়িত কনটেন্টগুলো প্রদর্শনের বিনিময়ে অনুসরণকারীদের কাছ থেকে সরাসরি অর্থ সংগ্রহ করতে পারেন।

সূত্র: বিজিআর ডটকম

Source: প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

ইউটিউবের বিজ্ঞাপন ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন আসছে
***********************************************************************
ব্যবহারকারীদের স্বচ্ছন্দে ভিডিও দেখার সুযোগ দিতে বিজ্ঞাপন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ইউটিউব। নতুন এ পরিকল্পনার আওতায় ‘ওভারলে’ ফরম্যাটের বিজ্ঞাপন আর দেখাবে না ভিডিও বিনিময়ের সাইটটি। ফলে ভিডিও চালুর আগে পর্দার নিচে চারকোনা বক্সে পপআপ বিজ্ঞাপন দেখা যাবে না। সবকিছু ঠিক থাকলে ৬ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

ইউটিউবের তথ্যমতে, ওভারলে বিজ্ঞাপন বন্ধ হলেও বর্তমানের মতোই ভিডিওর শুরুতে বা মধ্যে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। ফলে ভিডিও নির্মাতারা সহজেই আয় করতে পারবেন। নির্মাতাদের আয়ের পরিমাণ বাড়াতে নতুন বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা চালুর জন্যও কাজ করছে ইউটিউব।

উল্লেখ্য, ওভারলে ফরম্যাটের বিজ্ঞাপনগুলোতে সাধারণ টেক্সট বা ছবি থাকে। চার কোনা বক্সের বিজ্ঞাপনগুলোতে ক্লিক করলেই ব্যবহারকারী ব্যক্তিরা বিজ্ঞাপনদাতাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন। তবে চাইলেই বক্সের কোণে থাকা ক্রস চিহ্নে ক্লিক করে বিজ্ঞাপন দেখা থেকে বিরত থাকা যায়। তবে এ ধরনের বিজ্ঞাপনের কারণে স্বচ্ছন্দে ভিডিও দেখতে না পারার অভিযোগ করে আসছিলেন অনেকেই। ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবহারকারীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই ওভারলে ফরম্যাটের বিজ্ঞাপন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউটিউব।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Source: প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

নির্ধারিত সময়ে মুছে যাবে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ
***********************************************************************
হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তা নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলা যায়। এ জন্য বার্তা পাঠানোর আগেই সেগুলো মুছে যাওয়ার সময় নির্ধারণ করে দিতে হয় ব্যবহারকারীদের। এবার শুধু বার্তা নয়, নির্ধারিত সময়ে পুরো গ্রুপই মুছে ফেলার সুযোগ মিলবে হোয়াটসঅ্যাপে। এ জন্য ‘এক্সপায়ারিং গ্রুপ’ নামের নতুন সুবিধা চালু করছে মেটার মালিকানাধীন ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটি।

নির্দিষ্ট দিন বা অনুষ্ঠান উপলক্ষে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুলে বন্ধু বা পরিচিত ব্যক্তিদের যুক্ত করেন অনেকেই। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে অনেক সময়ই অনুষ্ঠান শেষে গ্রুপগুলো আর মুছে ফেলা হয় না। ফলে প্রয়োজন ছাড়াই বিভিন্ন গ্রুপের সদস্য হয়ে থাকতে হয়। ‘এক্সপায়ারিং গ্রুপ’ সুবিধা চালু হলে নির্দিষ্ট দিন বা অনুষ্ঠান শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হোয়াটসঅ্যাপ থেকে নির্দিষ্ট গ্রুপ মুছে যাবে। ফলে অপ্রয়োজনীয় গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে না।

‘এক্সপায়ারিং গ্রুপ’ সুবিধা ব্যবহারের জন্য গ্রুপ খোলার সময়ই মুছে ফেলার দিনক্ষণ নির্ধারণ করে দিতে হবে। গ্রুপে যুক্ত হওয়ার সময় অন্য সদস্যরা মুছে ফেলার সময় জানতে পারবেন। ফলে চাইলেই গ্রুপে আদান-প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আগে থেকে সংগ্রহ করা যাবে। প্রাথমিকভাবে আইফোনে এ সুবিধা ব্যবহার করা যাবে। তবে কবে নাগাদ এ সুবিধা চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য জানায়নি হোয়াটসঅ্যাপ।

সূত্র: ওয়েববেটা ইনফো

Source: প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কথা বলে বার্তা লিখবেন যেভাবে
***********************************************************************
কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে অনেক সময়ই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বা ই-মেইলের উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে অনেকেই বিব্রতকর সমস্যার মুখোমুখি হন। তবে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের স্পিচ টু টেক্সট সুবিধা কাজে লাগিয়ে চাইলেই মুখের কথাকে বার্তায় রূপান্তর করা সম্ভব। বাংলা, ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষা সমর্থন করায় মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে যেকোনো বার্তা সহজে লেখা সম্ভব। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জিবোর্ডসহ বেশ কিছু কি–বোর্ড অ্যাপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্পিচ টু টেক্সট সুবিধা ব্যবহার করা যায়।

স্পিচ টু টেক্সট সুবিধা ব্যবহারের জন্য প্রথমে ফোনের সেটিংসে প্রবেশ করে জেনারেল ম্যানেজমেন্ট অপশন থেকে ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কি–বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর জিমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার বা যে অ্যাপে বার্তা লিখতে চান তা চালু করে কি–বোর্ডের ওপরের অংশে থাকা মাইক্রোফোন আইকনে ট্যাপ করতে হবে। এবার যা লিখতে চান তা স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করলেই মুখের কথা লেখা আকারে টাইপ হয়ে যাবে।

Source: প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

ঘুরে বেড়ানোর শখ থেকে অনলাইন উদ্যোক্তা সাদিয়া হক
***********************************************************************
সাদিয়া হক ও তাঁর স্বামীর দুজনেরই শখ দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ানোর। শখ মেটানোর জন্য সঞ্চয় করার পাশাপাশি নিয়মিত ঢুঁ মারতেন বিভিন্ন দেশের ফ্লাইট ও হোটেলের সেরা অফারগুলোয়। ধীরে ধীরে ভ্রমণের নানা খুঁটিনাটি দিক সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা হয় এই দম্পতির। তাই বন্ধুদের পাশাপাশি পরিচিত অনেকেই ভ্রমণে যাওয়ার আগে তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ নিতেন। ভ্রমণ শেষে পরামর্শের প্রশংসাও করতেন তাঁরা। বন্ধুদের এ প্রশংসা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই সাদিয়া হক চালু করেন অনলাইন ট্রাভেল এজেন্ট শেয়ারট্রিপ। শখের বসে চালু করা শেয়ারট্রিপে বর্তমানে কাজ করছেন ১৬৫ জন কর্মী।

শেয়ারট্রিপ চালুর উদ্দেশ্য সম্পর্কে সাদিয়া হক বলেন, ‘নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করে আমি গ্রামীণফোনে কাজ শুরু করি। এরপর ২০০৭ সালে আমার বিয়ে হয়। আমার স্বামী একটি টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। ফলে সে সময় আমরা দুজনে মিলে মোটামুটি ভালোই আয় করছিলাম। আমাদের খুব শখ ছিল প্রতিবছর অন্তত দুইবার বিদেশ ভ্রমণ করার। তখন বাংলাদেশ থেকে যেকোনো দেশে ভ্রমণের জন্য রীতিমতো দীর্ঘ প্রস্তুতিপর্ব কাটাতে হতো। ট্রাভেল এজেন্টদের ভালো অফারগুলোও এখনকার মতো এত বেশি বেশি পাওয়া যেত না। তাই আমরা প্রতিটি ভ্রমণের আগে লম্বা সময় নিয়ে সবকিছুর পরিকল্পনা করতাম। নিজেদের এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতেই চালু করি শেয়ারট্রিপ। শেয়ারট্রিপের প্রধান উদ্দেশ্য মূলত ভ্রমণপ্রেমীদের ঘোরাঘুরির অভিজ্ঞতাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময়, নির্বিঘ্ন ও উপভোগ্য করে তোলা। নিজেদের স্টার্টআপকে লাভজনক করে তোলার তাগিদ আমাদের অবশ্যই ছিল, কিন্তু দুজনেরই ভ্রমণ ভালো লাগায় এ বিষয়ে শুরুতে আমরা কোনো তাড়াহুড়া করিনি। একসময় আমার স্বামী চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি শেয়ারট্রিপের উন্নয়নে মনোযোগ দেন। ফলে দ্রুত শেয়ারট্রিপের কাজের পরিধি ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। আমিও চাকরি ছেড়ে পরিবার এবং শেয়ারট্রিপে পুরোপুরি কাজ শুরু করি।’

Source: প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

যে কারণে প্রেমিকার সঙ্গে বাইরে যেতে ভয় পেতেন গোবিন্দ
***********************************************************************
সিনেমার গল্পের মতোই যেন প্রেম হয়েছিল বলিউড অভিনেতা গোবিন্দের। এক আত্মীয়ের সঙ্গে বাজি ধরে গোবিন্দের সঙ্গে প্রেম করেছিলেন সুনীতা। কিন্তু প্রতিবারই ডেটিংয়ে যাওয়ার সময় বিপত্তিতে পড়তেন এই অভিনেতা। কারণ, তাঁদের বয়স ছিল অনেক কম।

গোবিন্দ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমাকে পাওয়ার জন্য সুনীতা বাজি ধরে। তাঁর সেই আত্মীয় বলেছিল অসম্ভব। কিন্তু সে বলেছিল এটাকে সম্ভব করবে। পরে এক বছর আমার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার জন্য লেগে থাকে। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে আমার মন পাওয়ার। সে ছিল সম্পর্কে আমার মামির বোন। হঠাৎ একদিন তাঁর হাতের স্পর্শে আমার কাছে মনে হয়, মেয়েটি আমার প্রেমে পড়েছে। ফলাফল সুনীতা কাজ হাসিল করে। সে সফল হয়।’

এর পর থেকে তাঁদের মধ্যে প্রেম হয়ে যায়। প্রথম সেই স্পর্শের ঘটনা ছিল মজার। সেদিন তাঁরা একটি মহরতে একসঙ্গে নেচেছিলেন। গোবিন্দ বলেন, ‘পরে আমরা একই গাড়িতে ছিলাম। গাড়ি চলছিল। হঠাৎ দেখি ওর হাতের স্পর্শ আমার হাতে। কিন্তু সে হাত একইভাবে রেখে দিয়েছে। হাত সরাচ্ছে না। সেদিন আমিও তাঁর হাত ধরি। সেই প্রথম আমাদের ভালোবাসা প্রকাশ পায়।’

প্রেমে পরার পড়ে তাঁরা একসঙ্গে ঘুরতে বের হতেন। কিন্তু সেই সময়ে সারাক্ষণ ভয়ে থাকতেন গোবিন্দ। তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘প্রথম যখন আমাদের প্রেম হয়, তখন আমার বয়স ছিল ২১ বছর। আর সুনীতার বয়স ছিল ১৪ কী ১৫। সে দেখতে অনেকটাই কিশোরীর মতো ছিল। আমার কাছে মনে হতো, প্রেম করার জন্য ও বয়সে এতটাই ছোট ছিল যে আমি ভয় পেতাম। কিন্তু ও আমাকে ভালোবাসত। ডেটিংয়ে যেতে চাইত। ওকে বোঝাতাম, “তুমি খুব ছোট। জানো, কী বলছ?” ও বলত, “হ্যাঁ, সব জানি। আমি তোমাকে ভালোবাসি।” কিন্তু ওর সঙ্গে প্রেম করলে কেউ যদি আমায় শিশু নিগ্রহকারী বলে? এটাই আমার ভয় ছিল।’
অবশেষে তাঁরা ১৯৮৭ সালের ১১ মার্চ বিয়ে করেন। গোবিন্দ তখন চব্বিশ, সুনীতা পড়েছেন আঠারোয়।

Source: প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

বসন্তের আমেজে শুরু হলো ল্যাকমে ফ্যাশন উইক
***********************************************************************
প্রকৃতিতে এখন বসন্তের ছোঁয়া। ফাগুনের ২৪তম দিন ছিল বৃহস্পতিবার। বিদায়ী হলেও এখনো ফাগুনের গান গেয়ে যায় উদাস মৃদু হাওয়া। সে হাওয়ায় মর্মর ধ্বনি তুলে ঝরে পড়ে শুকনা পাতা। গাছে গাছে নতুন কচি পাতা। বসন্তের এই হাওয়া লেগেছে যেন ল্যাকমে ফ্যাশন উইকের আসরে। সেখানেও বসন্তের ছোঁয়া। রঙিন পোশাক, নতুন কাপড়ের গন্ধ, ডিজাইনারদের ব্যস্ততা, মডেলের দ্যুতি—সব মিলিয়ে রীতিমতো জমে উঠেছে ফ্যাশনের এ উৎসব।
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হলো ‘এফডিসিআই ল্যাকমে ফ্যাশন উইক’-এর গ্রীষ্মকালীন আসর। প্রতিবছর পাঁচ দিন ধরে এ ফ্যাশন উইক অনুষ্ঠিত হয়। এবার ৯ থেকে ১২ মার্চ—চার দিন হবে ল্যাকমে ফ্যাশন উইক। মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড গার্ডেনে এবার ল্যাকমের আসর বসেছে। প্রতিবারের মতো এবারও দেশের নামী-অনামী ডিজাইনাররা মেলে ধরবেন গ্রীষ্মকালীন পোশাকের নতুন ধারা। এ ফ্যাশন উৎসবের আসর আরও জমজমাট হয়ে উঠেছে দেশি-বিদেশি ফ্যাশনপ্রেমীদের উপস্থিতিতে।

প্রতিবারের মতো এবারও নবীনের জয়গান গেয়ে ল্যাকমে ফ্যাশন উইকের শুরু। নামকরা ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান ‘আইএনআইএফডি’ এবারও একদল নবাগত ডিজাইনারের সঙ্গে ফ্যাশন দুনিয়ার পরিচয় করাল। এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে হিরো, কোয়াই, কয়টয়, রুদ্রাক্ষ দ্বিবেদি—এই চার নবীন ডিজাইনার নিয়ে এসেছিলেন ফ্যাশনের নতুন ধারা। তাঁদের আয়োজনে ছিল মূলত হালফ্যাশনের পাশ্চাত্য পোশাকের বৈচিত্র্য। এ আয়োজনে ছিল পুরুষদের জন্য স্ট্রিট ওয়্যারের নতুন ধারা।

বৃহস্পতিবার ল্যাকমের প্রাঙ্গণজুড়ে উদ্‌যাপিত হয়েছে ‘সাসটেইনেবল ফ্যাশন ডে’। তাই বিভিন্ন ডিজাইনারদের আয়োজনে আছে টেকসই কাপড়ের নানা বাহার। অনাভিলার আয়োজনে বাংলার শিল্পের ছোঁয়া ছিল।

ল্যাকমে ফ্যাশন উইকের প্রথম দিন বেশ কিছু বলিউড তারকাকে শোস্টপার হয়ে র‍্যাম্পে হাঁটতে দেখা গেছে। ইতিমধ্যে বলিউড অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া র‍্যাম্পে হেঁটেছেন। ল্যাকমের প্রথম দিনের শেষ রাতকে আলোকিত করেছেন রাকুল প্রীত সিং, আর বিজয় ভর্মা।

Source: প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

‘“বনবিবি” আমাদের দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে’
***********************************************************************
রাত নিঝুম। ডেকে উঠল ব্যাঙ। কিংবা ঝিঁঝিঁ পোকা। এমন প্রকৃতির কাছে চাইলেই কি যেতে পারি আমরা? আহা! এই অতৃপ্তি নিয়েই তো আমরা অনেকেই দিন কাটাই...। সম্প্রতি মনের-চোখের এই অপূর্ণতাকে কিছুটা পূর্ণ করে দিল বাংলাদেশের অন্যতম রক ব্যান্ডদল ‘মেঘদল’। ৩ মার্চ রাত একটায় তারা দর্শক–শ্রোতার জন্য নিয়ে আসে নতুন চমক ‘বনবিবি’। কোক স্টুডিও বাংলার দ্বিতীয় সিজনের দ্বিতীয় গান এটি। এরই মধ্যে ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে লাখ লাখ দর্শক–শ্রোতা গানটি উপভোগ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় জানাচ্ছেন ভালো লাগার কথা।
গানটির শুরুতেই দেখা যায় সুন্দরবনের আবহ। সবুজ জঙ্গল। পাতার ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে জোনাকি। তার ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে এক ছায়াশরীর। এই ছায়াশরীরই মূলত বনবিবি। শরীরজুড়ে তার লতা-গুল্ম জড়ানো, মাথায় পাতার মুকুট। নিঝুম রাতে ক্লান্ত মানুষের মনে বহুদিন পর ভিন্নতার ছোঁয়া। এমন ভিন্নতার আয়োজন করেছে টিম মেঘদল।

গানটির কথা লিখেছেন যৌথভাবে শিবু কুমার শীল ও মেজবাউর রহমান সুমন। শিবু কুমার শীলের কম্পোজিশনে সংগীত প্রযোজনা করেছে ‘মেঘদল’। গানটির মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানকে, যিনি তাঁর চিত্রকর্মে বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের বন্দনা করে গেছেন।

গানের ভাবনার শুরু, লেখা এবং কোক স্টুডিওতে উপস্থাপনা নিয়ে কথা হয় শিবু কুমার শীলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কোক স্টুডিও থেকে যখন আমাদের গান করার জন্য আহ্বান জানানো হলো, প্রথমেই মাথায় এল প্রকৃতি নিয়ে গান লিখব। গ্রাম, মাটি, মানুষকে যা জড়িয়ে রাখে। আমরা যাকে নিয়ে গানটি লিখেছি, সেই বনবিবি মূলত এক লৌকিক দেবী। অনেক প্রাচীন লোককাব্যে পাওয়া যায় বনবিবির নাম। বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্দরবন অঞ্চলে বসবাস করা মৎস্যজীবী, মধুয়াল ও কাঠুরিয়া জনগোষ্ঠী পূজা করে বনবিবিকে। সুন্দরবনের মানুষরা বিশ্বাস করে, এই দেবী সুন্দরবনের বাঘের হাত থেকে তাদের রক্ষা করে। আঞ্চলিক জনজীবনের বিশ্বাসের সঙ্গে মিশে থাকা এই চরিত্রই হলো মূল ভাবনা। আবার শত শত বছর ধরে খনার বচন বাঙালিদের প্রকৃতির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণভাবে জীবনযাপন করতে শিখিয়েছে। রক ব্যান্ডের সমৃদ্ধ ধারার সঙ্গে এখানে খুব সুন্দরভাবে মেশানো হয়েছে খনার বচনের গভীরতা। আর ভালোবাসার এস এম সুলতান তো আছেন আমাদের সর্বক্ষণ জড়িয়ে। সব ভাবনা এক করেই লেখা হয়েছে গানটি।’

বনবিবি একটি লোকগাথা ধরনের গান। পুরো গানটিতে একটি রহস্যময় ও আধ্যাত্মিক বিষয় রয়েছে, প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হলেই যা অনুভব করা যায়। মূল গায়ক মেঘদলের সঙ্গে এই গানে দেখা যায় জোহরা বাউলকে। জোহরা বাউলের পরিবেশনা গানে যুক্ত করেছে লোকসংগীতের স্বাদ। এর মাধ্যমে তৈরি হয়েছে চমৎকার একটি ফোক ফিউশন।
মুঠোফোনে কথা হয় জোহরা বাউলের সঙ্গে। তিনি তখন কুষ্টিয়ার লালন আখড়ায়। কোক স্টুডিওতে বনবিবি গানে অংশগ্রহণ তাঁর জীবনের চমৎকার অভিজ্ঞতা বলে মনে করেন তিনি। জোহরা বাউল বলেন, ‘আমি তো আসলে নিজের মনে গান গাই। যখন যা মনে আসে, বাউলদের যা হয় আরকি। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে যাই। “বনবিবি” গান সবাই এত দেখছে, শুনছে আমার তো অবাক লাগছে। সবাই আমাকে আবার নতুন করে খুঁজছে। এটা একটা সুন্দর অভিজ্ঞতা আমার জন্য।’

অল্পদিনের মধ্যেই ‘বনবিবি’ গানের এত প্রচার, ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি আনন্দিত করেছে মেঘদল এবং কোক স্টুডিও বাংলার সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে। শিবু কুমার শীল জানান, ‘বনবিবি এমন একটি গান, যা দর্শক-শ্রোতাদের এই পৃথিবীর নানা কোলাহল এবং জটিলতা থেকে কিছুটা সময় দূরে রাখবে। গানটি শুনে সবাই নিজেদের প্রকৃতির আরও কাছে অনুভব করবেন। এটা আমাদের জন্য চমৎকার এক অভিজ্ঞতা। কোক স্টুডিও বাংলার প্রতিভাবান শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করাও একটা দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল। এই অভিজ্ঞতা আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল।’

Source: প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Showing 12202 out of 19697
  • 12198
  • 12199
  • 12200
  • 12201
  • 12202
  • 12203
  • 12204
  • 12205
  • 12206
  • 12207
  • 12208
  • 12209
  • 12210
  • 12211
  • 12212
  • 12213
  • 12214
  • 12215
  • 12216
  • 12217

Edit Offer

Add tier








Select an image
Delete your tier
Are you sure you want to delete this tier?

Reviews

In order to sell your content and posts, start by creating a few packages. Monetization

Pay By Wallet

Payment Alert

You are about to purchase the items, do you want to proceed?

Request a Refund