https://www.bdlatestjobs.com/2....023/09/bangladesh-pu
https://www.bdlatestjobs.com/2....023/09/bangladesh-pu
https://www.bdlatestjobs.com/2....023/09/bangladesh-pu
Preserving the Beauty and Integrity: The Importance of Tile Roof Repair
A tile roof adds a touch of elegance and timeless charm to any structure. The interlocking tiles, available in various materials such as clay, concrete, or slate, not only enhance the aesthetic appeal but also offer excellent durability and protection against the elements.
https://writeupcafe.com/preser....ving-the-beauty-and-
2bhk In Sarjapur | Nambiarbuilders.com
Discover an opulent way of living with NambiarBuilders.com. Discover your ideal 2 bedroom in Sarjapur and take advantage of the best features & services offered. Today, make the most of your ideal house!
https://www.nambiarbuilders.com/millenia/
সিডনিতে অন্য পরিচয়ে মাজনুন মিজান
***********************************************************************
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এসেছিলেন বাংলাদেশের অভিনেতা মাজনুন মিজান। গত ২৬ আগস্ট সিডনি পৌঁছেছেন তিনি। এর আগে ২০১৯ সালে নাটকের শুটিং করতে সিডনিতে এসেছিলেন তিনি। দীর্ঘ বছর পর সিডনিতে কি করছেন এই অভিনেতা? উত্তর খুঁজতে এই প্রতিবেদক কথা বলেন মাজনুন মিজানের সঙ্গে। জানালেন, এবার শুধু অভিনয় করতে নয়, সিডনি এসেছেন নাটকের পরিচালনা করতে।
বাংলাদেশের বাইরে সিডনিতেই প্রথমবারের মতো নাটক পরিচালনা করছেন বলে জানালেন মাজনুন মিজান। বলেন, ‘আমাদের নাটকের একটি চরিত্র বিদেশে চাকরি করে। সেই গল্পের দৃশ্যায়ন করতেই সিডনি এসেছি।’
বিদেশে দৃশ্যায়নের জন্য সিডনিকে বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘নাটকের গল্পটা সিডনিকে মাথায় নিয়েই রচনা করা। এ ছাড়া, সিডনিকে আমার ব্যক্তিগতভাবে ভালো লাগে। বহুসাংস্কৃতিক শহর হওয়ায় সিডনির সঙ্গে বাংলাদেশের একটা মেলবন্ধন করতে চাই। পাশাপাশি সিডনি, মেলবোর্নে অনেক বাংলাদেশি বসবাস করে। এদেশে তাঁদের জীবন ব্যবস্থা কেমন তা বাংলাদেশিরা জানতে চায়। তা তুলে ধরতেই সিডনিতে শুটিং করা।’
নাটকের কাজের বাইরে সিডনি ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি জানান, ‘এবার পরিকল্পনা রয়েছে সিডনির পাশে বরফ দেখতে যাওয়া স্নোয়ি মাউন্টেনে। এর বাইরে যথারীতি অপেরা হাউজ, বোটিং, সমুদ্র সৈকত এগুলো তো রয়েছেই। সিডনি ঘুরে বেড়ানোর জন্য এমনিতেই চমৎকার জায়গা। এ ছাড়া, আমাদের বেশিরভাগ সময়ই নাটকের জন্য শিডিউল করা। তবে, বিশেষ করে যেটা ভালো লেগেছে এবার সিডনিতে সেটা হল বাংলাদেশিদের এখানে সফল হওয়া।
আগের চেয়ে সিডনিতে বাংলাদেশিদের সংখ্যা বেড়েছে, বাঙালিয়ানা বেড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার সংস্কৃতিতে খুব ভালো করে বাংলাদেশিরা মিশে উঠছে এটাও ভালো লাগছে।
সিডনিতে দৃশ্যায়িত নাটকটিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি অভিনেত্রী রুপন্তি। বুধবার ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে ফিরে গেছেন মাজনুন মিজান।
source : প্রথম আলো।
স্বপ্নের মতো অভিষেক
***********************************************************************
ইনস্টাগ্রামে লি হান বিয়োলের অনুসারী হু হু করে বাড়ছে। অথচ সপ্তাহ তিনেক আগেও তাঁকে কেউ চিনতেন না। নেটফ্লিক্সের অরিজিনাল সিরিজ মাস্ক গার্ল-এ কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি তারকা বনে গেছেন তিনি।
১৮ আগস্ট নেটফ্লিক্সে মুক্তিপ্রাপ্ত সিরিজে কিম মো মি নামে এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন লি। ছোটবেলায় পপ গায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন কিম মো। নিজের চেহারা নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগেন তিনি, ফলে মঞ্চে ওঠা হয়নি তাঁর। তরুণ বয়সে চাকরি নেন, অফিস শেষে রাতে একটি চ্যানেলে শো করেন। নিজের চেহারা ঢাকতে মাস্ক পরে শো করেন, পরে তিনি মাস্ক গার্ল নামে পরিচিতি পান।
এই চরিত্রে সাবলীল অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন লি। নানা ও জো হিয়োনের মতো তারকা অভিনেত্রীদের ভিড়ে আলো কেড়েছেন লি। নবীন এই অভিনয়শিল্পীকে নিয়ে কোরীয় সংবাদমাধ্যমে চর্চা হচ্ছে।
লি বলছেন, ‘আমি ভীষণ আপ্লুত। আমি ভাবতেও পারিনি, দর্শকের কাছ থেকে এমন সাড়া পাব। অনেকে সিরিজটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে লিখছেন। অনেকে মাস্ক গার্ল নিয়ে মিম বানাচ্ছেন।’
ক্যারিয়ারের প্রথম সিরিজে অভিনয়ের সুযোগ পেতে অডিশনে এক হাজার তরুণীকে পেছনে ফেলে নির্বাচিত হয়েছেন লি। চূড়ান্ত হওয়ার পর নিজেই বিশ্বাস করতে পারেননি, এরপর নিজেকে ঝালিয়ে নিয়েছেন।
নেটফ্লিক্সের অ-ইংরেজিভাষী সিরিজের বৈশ্বিক তালিকায় দুই সপ্তাহ ধরে শীর্ষে রয়েছে মাস্ক গার্ল। এই বছর মুক্তিপ্রাপ্ত কোরীয় সিরিজের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সিরিজের একটি এটি। সিরিজটি নির্মাণ করেছেন কিম ইওন হুন।
source : প্রথম আলো।
Are you looking for an Expert SEO service provider?
In order to increase your online exposure and rankings, we provide top-notch SEO services. To increase organic traffic to your website, our committed team of professionals uses cutting-edge tactics, keyword optimization, and content improvements. We assist you in dominating search engine rankings and achieving long-term digital success thanks to our solid track record. To learn more, call +91-8595818014 and also visit our official website below.
#digital_marketing #seo_services #seo_service_provider #ansumiti_technosoft
https://ansumiti.com/search-engine-optimization
৯০ পেরোনোর অপেক্ষায় আশা
***********************************************************************
গল্পটি আশা ভোসলে নিজেই শুনিয়েছিলেন এক সাক্ষাৎকারে। এক বন্ধু তাঁকে নাকি বলেছিলেন, আশার জন্মের ঠিক আগে স্রষ্টা বলেছিলেন, ‘তোমাকে একটি সুসংবাদ এবং একটি দুঃসংবাদ দিয়ে দুনিয়ায় পাঠাব। সুসংবাদটি হলো তুমি বিখ্যাত একটি সংগীত পরিবারে জন্মাবে এবং গানে গানে বহুদূর যাবে। আর দুঃসংবাদটি হলো তোমার বড় বোনের জন্য ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ প্লেব্যাক গায়িকার স্বীকৃতি তোলা থাকবে, তোমার সেখানে জায়গা হবে না!’
গল্প হলেও কথাটা নেহাত ভুল নয়। বছরের পর বছর ভারতীয় সিনেমা–দুনিয়ায় নারী কণ্ঠের তালিকায় সবার ওপর ছিল দুটি নাম—লতা ও আশা। এত গান, এত এত সুর ও সুরকার, এত দীর্ঘ বছরে শ্রোতা পাল্টে গেছে, বদলে গেছে প্রজন্ম। কিন্তু তাঁদের জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি। লতা বিদায় নিয়েছেন। ৯০ পেরোনোর অপেক্ষায় থাকা আশা মুম্বাই থেকে দুবাই গেছেন। ১ সেপ্টেম্বর ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও দিয়েছেন ‘তরুণ’ এই শিল্পী। এয়ারপোর্ট যাওয়ার পথে গাড়িতে করা ভিডিওতে কেডস পায়ে, শাড়িতে সমুজ্জ্বল আশা মুঠোফোনে গেম খেলছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘যাচ্ছি। ৮ সেপ্টেম্বর দেখা হবে দুবাইতে। আমার জন্মদিনে।’ একই দিন আরেকটি ভিডিও দিয়ে লিখেছেন, ‘আমার সাম্প্রতিক পেশা অনলাইন ভিডিও গেমিং!’
মুঙ্গেশকর থেকে ভোসলে
১৯৩৩ সালে তাঁর জাগতিক ভ্রমণ শুরু। দীননাথ মঙ্গেশকরের কন্যা গান গাইবেন, এটা যেন সরল অঙ্ক। বাবার রাস্তায় পথিক হলেন জ্যেষ্ঠ কন্যা, লতা।
মাত্র ১৩ বছর বয়সে পিতৃহারা হয়ে পরিবারের অর্থনৈতিক দুরবস্থা সামলে নিতে লতা কঠিন সংগ্রাম করে তাঁর পথ তৈরি করে নিয়েছেন, আমৃত্যু সে পথে অবিচল ছিলেন।
লতার মতো বোন আশার রক্তেও যেমন সংগীত ছিল, তেমনি ছিল স্রষ্টাপ্রদত্ত কণ্ঠ এবং দ্রুত যেকোনো কিছু আয়ত্তে আনার দক্ষতা। তবে বোনের মতো ঠিক মনঃসংযোগের ধৈর্য ততটা ছিল না। বরং কৈশোর পেরোনোর আগেই সংসার করা, ঘুরে বেড়ানো—এসব খেয়ালেই ছিলেন মেতে। ১৩ বছর বয়সে ভুলটা করেই ফেললেন। গণপত ভোসলের হাত ধরে সংসার সাজানোর সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল, তা আজ নিজেই মানেন আশা। তবে গণপত ভোসলে নিজের অজান্তে গুরুত্বপূর্ণ কাজটা করেছিলেন। স্ত্রীকে রান্নাঘরে আটকে ফেলার বদলে তাঁকে গান গেয়ে রোজগারের পথে ঠেলে দিয়েছেন। আসলে আশার অদৃষ্টে যে গন্তব্য ছিল লেখা, সেখানেই তিনি পৌঁছালেন, তবে সরল–সহজ পথে নয়।
অনেক ঘুর পথে, চড়াই-উতরাই পেরিয়ে। স্বামী-সন্তান নিয়ে সংসারের সুখের অন্বেষণ করতে গিয়ে আশাকে পড়তে হলো ঘর-বাইরের টানাপোড়েনে। তাঁর প্রতিদিনের রুটিনটা ছিল এমন, ভোরে ঘুম থেকে উঠে রান্নাবান্না, স্বামী-শাশুড়ি সেবা, সন্তান পালনের দায় মিটিয়ে লোকাল ট্রেনে চড়ে স্টুডিও পাড়ায় ঘুরে ঘুরে সংগীত পরিচালকদের কাছে দেনদরবার। শুধু টিকে থাকার সংগ্রামের দিনগুলোতে কি তিনি ভেবেছিলেন, যুগের পর যুগ তিনি ভারতীয় সংগীত তথা চলচ্চিত্রজগতের সিংহাসনে থাকবেন?
source : প্রথম আলো।