https://www.bdlatestjobs.com/2....023/08/jagorani-chak
https://www.bdlatestjobs.com/2....023/08/jagorani-chak
💥শুরু হয়ে গেলো দারাজে Fashion Week. এই ক্যাম্পেইনে বিভিন্ন ফ্যাশন প্রোডাক্ট এর উপর থাকছে ৭০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ।💥
1. Fashion Voucher
2. 250+ brands
3. 42 লক্ষের ও বেশি products
🙆♂️ এরই সাথে ২৪৯টাকা কিনা কাটায় SHAKIL30 ইউজ করলে ১২% এবং ৩৪৯টাকা কিনা কাটায় SHAKIL55 তে ১৫% ডিসকাউন্ট তো থাকছে।😍*
বিস্তারিত - https://click.daraz.com.bd/e/_CWy9CX
আজকের ফ্রী ডেলিভারিতে সকল প্রোডাক্ট এই লিংকে - https://click.daraz.com.bd/e/_CWy9CX
When your HP printer not responding to scan commands, several factors might be at play. Start by ensuring the printer is correctly connected to the computer and powered on. Check to see that the scanning programme is appropriately installed and current. Check for any error messages or notifications on the printer's display panel. Inspect the scanner bed for debris or obstructions that could hinder proper function. Network connectivity issues or software conflicts may also contribute to the problem.
https://printersofflines.com/b....log-post/hp-printer-
৳17000 Mỗi tháng
৳20000 Mỗi tháng
Toàn thời gian
Call : 01637703036
Employer:
ATN E Mart Ltd
Role:
Field Sales Executive
Job type:
Full Time
Salary per month:
Tk 17,000 - 22,000
Required education:
HSC / A Level
Required work experience (years):
1
Application deadline:
2023-08-24
About the role
We Need Effective Communication Officer
বৃষ্টিতে নিরাপদে গাড়ি চালানোর ১০ কৌশল
***********************************************************************
এখন প্রায় প্রতিদিনই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে সারা দেশে। লম্বা দূরত্ব কিংবা বৃষ্টির পানি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে ঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য গাড়ি বেশ ভালো সঙ্গী। তবে এই সময়ে জলাবদ্ধতা বা অতিবর্ষণের কারণে অনেক সড়ক পানিতে ডুবে যায়। ফলে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য বাধ্য হয়েই পানিতে ডুবে থাকা সড়কে গাড়ি চালাতে হয়। এ সময় সড়কে জমে থাকা পানি প্রবেশ করে গাড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপদে পড়েন অনেকে। শুধুই কি তা-ই, মুষলধারে বৃষ্টির সময় গাড়ির সামনের কাচও ঝাপসা হয়ে যায়। এ কারণে সামনের রাস্তা ভালোভাবে দেখা যায় না। তবে এই ১০ কৌশল মেনে চললে বর্ষাতেও গাড়ি নিরাপদে চালানো যাবে।
১. গাড়ির কাচ পরিষ্কার
পেছনে দেখার জন্য চালকের সামনে যে দুটি রিয়ার ভিউ মিরর রয়েছে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। গাড়ির সামনের কাচ বা উইন্ডশিল্ড পরিষ্কার রাখার জন্য একধরনের বড়ি পাওয়া যায়, যা গাড়ির রিজার্ভ ওয়াটার ট্যাংকের (ইঞ্জিন হুডের নিচে চালকের আসনের দিকে অবস্থিত) পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হয়। এর ফলে বৃষ্টির পানি কাচের ওপর ফোঁটা ফোঁটা হয়ে আটকে থাকবে না। এ ছাড়া বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করার জন্য ভালো মানের ওয়াইপার (বৃষ্টির পানি সরানোর বিশেষ স্টিক) ব্যবহার করতে হবে। পুরোনো ওয়াইপার ব্যবহার করলে কাচে একধরনের দাগ পড়ে, ফলে সামনের রাস্তা ভালোভাবে দেখা যায় না।
২. শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার
বৃষ্টির সময় গাড়ির সব জানালার কাচ প্রায় বন্ধ থাকার কারণে ভেতরে ভ্যাপসা গরম তৈরি হয়। এতে গাড়ির সব কাচ ঝাপসা হয়ে যাওয়ার ফলে সামনে বা আশপাশে ভালোভাবে দেখা যায় না। গাড়ির কাচ ঝাপসা হলে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রে গ্লাস ওয়ার্মার অপশন ব্যবহার করতে হবে। এতে গাড়ির কাচের ভেতরে তাপ সৃষ্টি হয়ে ঝাপসা ভাবটি কেটে যাবে। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের মাধ্যমে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে গাড়ির ভেতরের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য এনেও ঝাপসা ভাব কাটানো যায়। তবে গাড়ির গ্লাস বেশি ঝাপসা হলে দুই দিকের কাচ নামিয়ে ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট বাইরের বাতাস প্রবেশ করাতে হবে।
৩. রিয়ার ভিউ মিরর ঝাপসা হলে
দুই পাশের অবস্থান দেখার জন্য ব্যবহৃত গাড়ির রিয়ার ভিউ মিররগুলোও বৃষ্টির কারণে ঝাপসা হয়ে যায়। আধুনিক গাড়ির রিয়ার ভিউ মিররে ওয়ার্মার সিস্টেম (তাপ পরিবহনের ব্যবস্থা) রয়েছে। ফলে গাড়ির কাচ ঝাপসা হয় না। যেসব গাড়িতে এ সুবিধা নেই, সেগুলোর কাচে প্রটেকটিভ ফিল্ম পেপার ব্যবহার করতে হবে। কারণ, প্রটেকটিভ ফিল্ম পেপার লাগানো থাকলে কাচে পানি জমতে পারে না।
৪. হেডলাইট পরিষ্কার
রাতের বেলা মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালানো জন্য হেডলাইটের আলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন গাড়িগুলোতে হেডলাইট ওয়াশার থাকে। যদি আলো কমে যায় মনে হয়, তাহলে হেডলাইট ওয়াশার ব্যবহার করে বাল্ব পরিষ্কার করে নিতে হবে। এ ছাড়া গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার আগে হেডলাইটের কাচ পরিষ্কার আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। হেডলাইটের কাচ যদি ঘোলাটে হয় তবে সেটি পরিবর্তন করে নেওয়াও ভালো। বৃষ্টির সময় প্রয়োজনে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালানো উচিত। এতে বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য গাড়িগুলো আপনার গাড়ির অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমে যায়।
৫. গাড়ির গতিনিয়ন্ত্রণ
সাধারণভাবেই নিয়ন্ত্রিত গতি যাত্রাপথে নিরাপত্তা দেয়। বৃষ্টির সময় গাড়ির রিঅ্যাকশন টাইম বিপজ্জনকভাবে কমে যায়। আর তাই বৃষ্টির সময় কম গতিতে গাড়ি চালানো উচিত। শুধু তা-ই নয়, মোড় ঘোরানোর সময় চারদিকে দেখে গাড়ি ঘোরাতে হবে। সামনের গাড়ি থেকে আপনার গাড়ির দূরত্ব ন্যূনতম ৫ সেকেন্ডে রাখতে হবে। এর ফলে সামনের গাড়ি গর্ত বা উঁচু-নিচু রাস্তার কারণে হঠাৎ ব্রেক করলে, পেছনে থাকা গাড়ির গতি সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
৬. গাড়ি থামানোর আগে
বৃষ্টির সময় রাস্তায় গাড়ি থামানোর সময় সতর্ক থাকতে হবে। ইন্ডিকেটর জ্বালিয়ে ধীরে সুস্থে গাড়ি পার্ক করতে বা থামাতে হবে। যদি কিছুক্ষণের জন্য গাড়ি দাঁড় করাতে হয়, তাহলে গাড়িতে ইমার্জেন্সি লাইট ব্যবহার করা উচিত। এতে অন্য গাড়ির চালক সহজেই বুঝতে পারবে গাড়িটি দাঁড়িয়ে আছে।
৭. গাড়ির চাকার অবস্থা জানতে হবে
নিরাপদে গাড়ি চালানোর জন্য চাকার ভূমিকা অনস্বীকার্য। চাকার গ্রিপ কমে গেলে পিছলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই গাড়ির চাকা পুরোনো হলে অথবা চাকার খাঁজকাটা অংশে যদি ন্যূনতম ফাঁকা না থাকে, তাহলে বৃষ্টিতে গাড়ি না চালানোই ভালো। গাড়ির চাকার গ্রিপ ঠিক আছে কি না, পরীক্ষা করার জন্য চাকার খাঁজকাটা অংশে দেশলাইয়ের কাঠি দিয়ে পরিমাপ করা যেতে পারে। ন্যূনতম ১ দশমিক ৬ মিলিমিটার থ্রেড ডেপথ থাকলে চাকাকে নিরাপদ ধরা যায়। বৃষ্টির সময় হার্ড ব্রেক করলে চাকা ঘুরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর তাই বৃষ্টির সময় হঠাৎ হার্ড ব্রেক করা থেকেও যথাসম্ভব বিরত থাকতে হবে।
৮. গাড়ি পরিষ্কারে মাইক্রো ফাইবার কাপড়
আমরা অনেকেই সাধারণ কাপড় দিয়ে গাড়ি মুছে থাকি। এতে গাড়িতে ক্ষুদ্র কিছু দাগ পড়ে, যা খালি চোখে দেখা যায় না। কিন্তু এসব দাগের কারণে গাড়ির কাচ ঘোলা হয়ে যায়। আর তাই গাড়ি পরিষ্কারে সময় অবশ্যই মাইক্রো ফাইবারের কাপড় ব্যবহার করা উচিত। এতে গাড়ি ঠিকমতো পরিষ্কার করার পাশাপাশি দাগমুক্তও রাখা যায়।ৎ
৯. গাড়ি পরিষ্কার
বৃষ্টিতে গাড়ির বাড়তি যত্ন দরকার। বৃষ্টিতে গাড়িতে চড়ার সময় পায়ের জুতার সঙ্গে কাদামাটি গাড়িতে প্রবেশ করে। গাড়ির বাইরের অংশেও কাদা পানির ছোপ দেখা যায়। তাই বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালানো শেষে পুরো গাড়ি বা গাড়ির হেডলাইট এবং সামনে-পেছনের কাচ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
১০. রাস্তা নির্বাচন
রাস্তার দুই পাশের চেয়ে মাঝখানের অংশ উঁচু হয়ে থাকে। আর তাই মুষলধারে বৃষ্টির সময় অথবা জলাবদ্ধ রাস্তার মাঝখানের অংশে গাড়ি চালাতে পারলে নিরাপদ থাকা যায়। বৃষ্টিতে গাড়ি চালানোর সময় সম্পূর্ণ মনোযোগ রাস্তার দিকে রাখা উচিত। এ সময়ে ফোনে কথা বলা বা অন্যমনস্ক হয়ে যাওয়া বেশ বিপজ্জনক। যদি রাস্তা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকে, তাহলে জলাবদ্ধ রাস্তায় ওঠার আগে অপেক্ষা করুন। অন্য গাড়ির সঙ্গে দূরত্ব রেখে সেই গাড়িকে অনুসরণ করেও জলাবদ্ধ রাস্তা পাড়ি দেওয়া যেতে পারে।
গাড়ির পাশাপাশি মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রেও বৃষ্টির সময় সতর্ক থাকতে হবে। জলাবদ্ধ রাস্তায় মোটরসাইকেলের স্টার্ট বন্ধ করা যাবে না। এতে সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে পানি ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে পারে। বৃষ্টিতে বের হওয়ার সময় অবশ্যই রেইনকোট সঙ্গে নেওয়া উচিত। হেলমেটের ভাইজর যদি ঝাপসা হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে বদলে নিতে হবে। দেখতে সমস্যা হলে ভাইজরটি ভালো করে মুছে আবার মোটরসাইকেল চালাতে হবে। বৃষ্টিতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় চেইনে কাদামাটি প্রবেশ করে। তাই বর্ষার শুরুতে চেইনে লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করতে হবে। পুরোনো ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার না করে চেইন ক্লিনার বা চেইন লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিত।
source : প্রথম আলো।
ভবন নির্মাণে মাশরুম!
***********************************************************************
বিভিন্ন দেশে কয়েক দশক ধরেই বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে মাশরুম। দুশ্চিন্তা দূরীকরণের উপায় থেকে শুরু করে খাবারে স্বাদের জন্য নানান মাত্রায় মাশরুমের ব্যবহার বেড়েছে। মাশরুমের প্রধান উপাদান মাইসেলিয়ামের ব্যবহার বাড়াতেও কাজ করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। লন্ডনের বায়োম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠান ‘বায়োম’ পুরো বিষয়কে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। মাইসেলিয়ামকে তারা ভবন নির্মাণের কাজে ব্যবহার করছে। এ জন্য ইনসুলেশন প্যানেলও তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এসব প্যানেল। বায়োমের ডিজাইন ডিরেক্টর ওকসানা বন্ডার বলেন, ‘আমরা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ সমাধানের চেষ্টা করছি। নির্মাণশিল্প পৃথিবীর জলবায়ুর ওপরে চাপ তৈরি করছে, আমরা সেই খাত নিয়েই কাজ করছি। ভবন নির্মাণে অন্যতম ব্যবহৃত বস্তু হচ্ছে নানান ধরনের ইনসুলেশন প্যানেল। প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা হয় বলে পরিবেশের ওপরে বেশি ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। আমরা প্রাকৃতিকভাবে সমাধানের খোঁজ করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাইসেলিয়াম কয়েক সপ্তাহ বিকাশের পরে আমরা তা সংগ্রহ করি। তা শুকিয়ে আমরা ইটের মতো প্যানেল তৈরিতে ব্যবহার করছি। এই প্যানেল বারবার ব্যবহার করা যায়। ব্যবহার শেষে ভেঙে টুকরা করে গবাদিপশুর খাবার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। পিএইচ মান নিরপেক্ষ ও শতভাগ প্রাকৃতিক বলে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এখন বিভিন্ন বহুজাতিক নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা চলছে।
চামড়ার বিকল্প মাশরুম
আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোর মাইকোওয়ার্কসও মাশরুম নিয়ে কাজ করছে। চামড়াজাত পণ্যের বিকল্প হিসেবে মাশরুমের ব্যবহার করছে তারা। মানিব্যাগ থেকে শুরু করে হাতব্যাগ কিংবা রান্নাঘরের তৈজসপত্রের জন্য মাশরুমের বিকল্প ব্যবহার করছে তারা। মাইকোওয়ার্কসের সহপ্রতিষ্ঠাতা সোফিয়া ওয়াং বলেন, ‘মাইসেলিয়াম থেকে তৈরি রেইশি নামের বস্তু উদ্ভাবন করেছি আমরা। চামড়াজাত পণ্যের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এই বস্তু। পানি, কাঠের গুঁড়া আর মাইসেলিয়ামের সংযোগে আমরা চামড়ার বিকল্প উদ্ভাবন করেছি। এই পণ্য উৎপাদনের কার্বন নির্গমনের হার অনেক কম। এরই মধ্যে মাথায় পরার টুপি বা হ্যাট থেকে শুরু করে নানান বিলাসবহুল পণ্য উৎপাদনে কাজ করা শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু তা–ই নয়, প্রতিষ্ঠানটি জেনারেল মটরসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গাড়ির অন্দরসজ্জার নানান পণ্য তৈরি করছে।’ ওয়াং আরও বলেন, ‘মাইসেলিয়ামের মাধ্যমে প্রাণীর চামড়া মতো পাতলা স্তর তৈরি করা যায়। সেই স্তর ট্যান করা বা রং করার মাধ্যমে চামড়ার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা বড় আকারে উৎপাদন চালু করলে এসব পণ্যের দাম আরও কমবে। প্রতিষ্ঠানটি এ কাজের জন্য ১২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে। সাউথ ক্যারোলাইনাতে বিশাল মাইসেলিয়াম উৎপাদন কেন্দ্র চালুর চেষ্টা করছে মাইকোওয়ার্কস।’
বাজার বাড়ছে
বৈশ্বিক ভাবে মাশরুমের বাজার বড় হচ্ছে। বর্তমানে এই বাজারের আকার ৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও ২০২৮ সালে তা ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন বাজারবিশ্লেষকেরা। এ বিষয়ে ভিয়েনা ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গবেষক মিশেল জোনস বলেন, বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বস্তু উৎপাদনে মাইসেলিয়াম ব্যবহার বাড়ছে। সাত বছর আগে আমি মাইসেলিয়াম নিয়ে পিএইচডি গবেষণা শুরুর সময়ে এসব নিয়ে কোনো কাজই শুরু হয়নি। এখন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়াসহ নানান দেশে মাশরুম নিয়ে কাজ চলছে। অনেক স্টার্টআপ মাশরুমনির্ভর পণ্য উৎপাদনে কাজ করছে।
মাংসের বিকল্প মাশরুম
মাইসেলিয়ামনির্ভর খাদ্য উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। উচ্চ প্রোটিনের মাংসের বিকল্প হিসেবে মাশরুমের ব্যবহার বাড়ছে। সাদা ময়দার বিকল্প হিসেবে হয়তো ভবিষ্যতে মাশরুমের ব্যবহার আমরা দেখতে পাব। জার্মানির বার্লিনের বস্ক ফুডস মুরগি আর অন্যান্য প্রাণীর মাংসের বিকল্প নিয়ে গবেষণা করছে। এরই মধ্যে ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শেফ বলেন, ‘আরবান ফার্মিং বা নগর কৃষির ধারণাকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা মাইসেলিয়াম উৎপাদনের সুযোগ বাড়াচ্ছি। কম খরচে আমরা মাংসের বিকল্প তৈরিতে কাজ করছি। মাইসেলিয়ামে তৈরি বিকল্প মাংস আসল মাংসের মতোই স্বাদের। মসলা দিয়ে দারুণ সব খাবার তৈরি করা যায়। আমেরিকার অনেক দোকানে অবশ্য এরই মধ্যে মাশরুমের তৈরি বার্গার হরহামেশাই বিক্রি হচ্ছে। এ বছরের শুরুতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিকল্প মাংস ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। পুরো ইউরোপে বিকল্প মাংসের ব্যবহার টুকটাক দেখা গেলেও খোদ যুক্তরাজ্যে আইনের মারপ্যাঁচে আটকে আছে বিষয়টি। ১৯৯৭ সালের আইন অনুসারে মাশরুমের তৈরি মাংস আসল খাবার নয় বলে বিবেচিত হচ্ছে এখনো সেখানে। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ভবিষ্যতের ভেষজ খাবারের চাহিদা বাড়বে, সেখানে মাশরুমের তৈরি বিকল্প খাবারগুলো টেকসই ও পরিবেশবান্ধব হবে। খাবারের সঙ্গে যেহেতু স্বাদের বিষয়টি জড়িত, তাই হয়তো আরেকটু সময় লাগবে বলে মনে করেন তারা।
সূত্র: বিবিসি
source : প্রথম আলো।