মার্ক জাকারবার্গ ও ইলন মাস্ক বদ্ধ খাঁচায় লড়াই করতে প্রস্তুত, কবে সেই লড়াই?
***********************************************************************
গত জুন মাসে টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সের (টুইটার) মালিক ইলন মাস্ক ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গকে খাঁচাবদ্ধ রিংয়ে লড়াইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। উত্তরে মার্ক জাকারবার্গও জানিয়েছিলেন, তিনি লড়াই করতে প্রস্তুত। প্রথমে বিষয়টিকে সবাই ‘রসিকতা’ হিসেবে ধরে নিলেও সম্প্রতি খুদে ব্লগ লেখার সাইট এক্সে (টুইটারের নতুন নাম) একটি বার্তা পোস্ট করেন ইলন মাস্ক। বার্তায় তিনি জানান, ‘জুক বনাম মাস্কের লড়াই সরাসরি এক্স-এ দেখা যাবে। আর এ থেকে যে আয় হবে, তা দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবীণদের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। লড়াইয়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে সারা দিন ভারোত্তোলন করছি। যেহেতু অনুশীলনের বাড়তি সময় পাচ্ছি না, তাই কাজের সময়ই করছি।’
ইলন মাস্কের পোস্টের পরপরই জাকারবার্গ থ্রেডস অ্যাপে জানিয়েছেন, লড়াইয়ের জন্য তিনি প্রস্তুত। তবে লড়াই নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন তিনি। ২৬ আগস্ট এ লড়াই আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও ইলন মাস্ক নিশ্চিত করেননি।
খুদে ব্লগ লেখার ওয়েবসাইট এক্সের আদলে গত ৬ জুলাই ‘থ্রেডস’ অ্যাপ চালু করে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। প্রযুক্তি বিশ্বে রীতিমতো হইচই ফেলে দেওয়া অ্যাপটিতে এক সপ্তাহের মধ্যেই ১০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী যুক্ত হন। অ্যাপটি কী সত্যিই টুইটারের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে প্রযুক্তি বিশ্বে। শুধু তা-ই নয়, থ্রেডসে নিজেদের প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে এক্স।
জুনে ইলন মাস্কের লড়াইয়ের ঘোষণা দেওয়ারও আগে থেকেই মার্শাল আর্ট নিয়ে বেশ আগ্রহ রয়েছে মার্ক জাকারবার্গের। করোনা মহামারি চলার সময় থেকে অবসর সময়ে মার্শাল আর্ট শিখছেন তিনি। গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ‘ব্রাজিলিয়ান জিউ-জিৎসু’ মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে স্বর্ণ ও রৌপ্যপদক জিতেছেন জাকারবার্গ।
মার্ক জাকারবার্গ ও ইলন মাস্কের এ বাগ্যুদ্ধ নতুন করে শুরু হওয়ায় ‘লোহার খাঁচার লড়াই’কে সত্যি বলে ধারণা করছেন অনেকে। নাকি এই লড়াইয়ের ঘোষণার আড়ালে অন্য কোনো বাণিজ্যিক যুদ্ধের ঘোষণা দিচ্ছেন ইলন মাস্ক— এমন প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে। ফলে ইলন মাস্কের এই লড়াইয়ের ঘোষণা আসলে কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।
সূত্র: ফোর্বস, বিবিসি
source : প্রথম আলো
স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে
***********************************************************************
দীর্ঘ সময় স্মার্টফোন ব্যবহারের জন্য অনেকেই শক্তিশালী ব্যাটারিযুক্ত স্মার্টফোন কেনেন। ব্যবহারকারীদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজেদের তৈরি স্মার্টফোনে ব্যাটারির ক্ষমতা বাড়াচ্ছে। কিন্তু ভুল পদ্ধতিতে চার্জ দেওয়ার কারণে নামীদামি ব্র্যান্ডের শক্তিশালী ব্যাটারির স্মার্টফোনগুলোর ব্যাটারিও দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমানে বাজারে থাকা বেশির ভাগ স্মার্টফোনেই বিল্ট-ইন ব্যাটারি সুবিধা থাকায় চাইলেও সেগুলো বদলানো যায় না। তবে বেশ কিছু কৌশল মেনে চললে স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব। স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার কৌশলগুলো দেখে নেওয়া যাক।
শতভাগ চার্জ নয়
প্রচলিত একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে সম্পূর্ণ বা শতভাগ চার্জ করলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো থাকে। কিন্তু এ ধারণাই স্মার্টফোনের ব্যাটারির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। স্মার্টফোনের ব্যাটারি লিথিয়াম আয়নের হয়ে থাকে। শতভাগ চার্জ অথবা চার্জ না থাকলে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জিং লেভেল সব সময় ৩০ থেকে ৮০ শতাংশ থাকলে ব্যাটারির ওপর চাপ পড়ে না। ফলে ব্যাটারি দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। আর তাই ব্যাটারির চার্জিং লেভেল সব সময় সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ রাখতে হবে। অর্ধেকের কাছাকাছি এলে চার্জ দিতে হবে। প্রয়োজনে কয়েকবারে স্মার্টফোন চার্জ দেওয়া যেতে পারে।
সারা রাত ধরে চার্জ নয়
অনেকেই ঘুমাতে যাওয়ার আগে স্মার্টফোন চার্জে দেন। সারা রাত ধরে চার্জ হওয়ার ফলে ফোনের ব্যাটারির স্থায়িত্ব কমে যায়। কারণ, সারা রাত চার্জ করলে ফোনের ব্যাটারি শতভাগ চার্জ হওয়ায় ব্যাটারির ভোল্টেজ বেড়ে যায়, যা লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় চার্জে থাকলে ব্যাটারি গরম হয়ে যায়। এতে ব্যাটারির মধ্যে থাকা রাসায়নিকের কার্যকারিতা কমে যায়।
চার্জিংয়ের সময় গেম খেলা বা ভিডিও না দেখা
গেম খেলা বা ভিডিও দেখার সময় ব্যাটারি বেশি খরচ হয়। আর তাই অনেকেই স্মার্টফোন চার্জ করা অবস্থায় নিয়মিত গেম খেলেন বা ভিডিও দেখেন। কিন্তু চার্জে থাকা অবস্থায় গেম বা ভিডিও চালু থাকলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত গরম হয়ে যায়। ফলে ব্যাটারির ওপর চাপ পড়ে এবং ধীরে ধীরে এর কার্যকারিতা কমে যায়।
বালিশের নিচে ফোন রেখে চার্জ নয়
ঘুমানোর সময় অনেকেই বালিশের নিচে ফোন রেখে চার্জ করেন। এতে বাতাস চলাচলে সমস্যা হওয়ায় দ্রুত ব্যাটারি গরম হয়ে যায়, যা ব্যাটারির ক্ষতি করতে পারে। আর তাই খোলা জায়গায় স্মার্টফোন চার্জ দিতে হবে।
তাপমাত্রা নিয়ে সচেতনতা
খুব বেশি বা কম তাপমাত্রা লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ক্ষতি করে থাকে। আর তাই সব সময় অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা স্থানে স্মার্টফোন ব্যবহার না করাই ভালো। তাই রোদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ স্মার্টফোন ব্যবহার করা উচিত নয়।
সূত্র: অ্যান্ড্রয়েড অথরিটি
source : প্রথম আলো
দৈত্যাকার চিংড়ির সন্ধান
***********************************************************************
অনেক আমেরিকান মনে করেন, চীনারাই আঠারো শতকের মাঝামাঝি চিংড়ি মাছ নিয়ে আসে। অভিবাসনের জন্য তখন চীনারা চিংড়িসহ অনেক মাছ নিয়ে আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ে ভিড় জমান বলেই এমনটা মনে করতেন আমেরিকানরা।
পুরো পৃথিবীর হিসাবে বলতে গেলে, চিংড়ি মাছ আরও পুরোনো বাসিন্দা। প্রায় ৫০ কোটি বছর আগের চিংড়ির ফসিলের সন্ধান মিলেছে। সেই হিসাবে চিংড়ি ডাইনোসরদেরও বয়োজ্যেষ্ঠ। চিংড়ি পোকা না মাছ, এই নিয়ে ক্লাসে অনেকে তর্ক-বিতর্কের কথা শুনেছেন। কোটি বছর আগের চিংড়ি নিয়ে ভিন্ন একটি গবেষণার ফলাফল জানলে আপনার চোখ কপালে উঠে যেতে পারে।
কোটি কোটি বছর আগে চিংড়ি পোকা ছিল না। আবার মাছের মতোও ছিল না, রীতিমতো দৈত্যাকার ছিল। ক্যামব্রিয়ান সময়কালে সামুদ্রিক চিংড়ি ছিল দৈত্যাকার ও দেখতে ভয়ানক। গবেষকেরা জানান, সেই দৈত্যাকার প্রাণীর দৈর্ঘ্য ছিল তিন ফুটের মতো। অদ্ভুতদর্শন এই সামুদ্রিক দৈত্যের নাম অ্যানোমালোক্যারিস ক্যানাডেনিসিস, যার অর্থ হলো, কানাডা থেকে আসা অদ্ভুতাকার চিংড়ি মাছ। এই প্রাণীর পেছনের দিকে লেজের মতো অংশ ছিল বলে গবেষকেরা মনে করেন।
চিংড়ির মতো দেখতে এই প্রাণীর নখ এখনকার হাতির শুঁড়ের মতো কাজে ব্যবহার করত। হাতি যেমন শুঁড় দিয়ে ফল ধরে খায়, সেই বিশালাকার চিংড়িও অন্য শিকারকে ধরে তেমনই করে খেয়ে ফেলত। এই প্রাণীর বিশাল নখ ছিল, যা শিকারকে ধরতে ব্যবহৃত হতো। চোয়াল ও চোখের অবস্থান সত্যি সত্যি ভয়ানক ছিল বলে জানান গবেষকেরা। এতক্ষণ যা চিংড়ি মাছ হিসেবে জানলেন, তা আসলে হাঙর।
অ্যানোমালোক্যারিসরা ছিল সেই সময়কার সবচেয়ে বড় সাদা হাঙর। দেখতে ভয়ানক হলেও ছোটখাটো প্রাণী শিকার করত এই চিংড়িরূপী হাঙর। শরীরের জোরের চেয়ে গতিই ছিল এই প্রাণীর টিকে থাকার রহস্য। আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির গবেষক রাসেল বিকনেল জানান, দেখতে ভয়ানক হলেও অ্যানোমালোক্যারিসরা ছোট প্রাণী শিকারে অভিজ্ঞ ছিল। নখ ও শরীরের আকার বড় হলেও খাদ্যশৃঙ্খলে সরল অবস্থান ছিল এদের।
প্রায় ৫৩ কোটি ৮০ লাখ বছর আগে ক্যামব্রিয়ান সময়কাল শুরু হয়। সে সময় প্রথম জটিল প্রকৃতির সামুদ্রিক প্রাণের বিকাশ ঘটে। সেই সময়কার সামুদ্রিক প্রাণীদের সামনের অংশে বিশালাকার নখ দেখা যায়। সেই নখ দিয়ে শিকার ধরে নিজেদের মতো ভেঙেচুরে খাবার হিসেবে গ্রহণের প্রবণতা ছিল তাদের মধ্যে। গবেষকেরা ত্রিমাত্রিক ডিজিটাল পদ্ধতিতে অ্যানোমালোক্যারিসের শারীরিক অবস্থার নকশা তৈরি করেন। কম্পিউটেশনাল ফ্লুইড ডায়নামিকস ব্যবহার করে চিংড়ি মাছের নকশা করেন গবেষকেরা। কানাডার বার্জেস শেল এলাকায় পাওয়া ফসিল গবেষণা করে এ তথ্য প্রকাশ করেন তাঁরা। যুক্তরাজ্যের দ্য রয়েল সোসাইটির গবেষণাপত্রে একটি নিবন্ধে চিংড়ির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রজাতির প্রথম ফসিল শনাক্ত হয় ১৮৮৬ সালে। কানাডার জিওলজিক্যাল সার্ভের গবেষক রিচার্ড ম্যাককনেল প্রথম মাউন্ট স্টিফেন পর্বত এলাকা থেকে এসব ফসিলের সন্ধান পান।
এদের হাঙর মনে করা হলেও প্রকৃত হাঙর পৃথিবীতে আসে আরও পরে। ৩৮ কোটি বছর আগে ক্ল্যাডোশেলাশে নামের প্রকৃত হাঙরদের প্রকৃতিতে দেখা যায়। এদের ৭টি ফুলকা ছিল। আধুনিক হাঙরের চেয়ে বিশালাকার ছিল সেই সময়ের হাঙরগুলো।
সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট
source : প্রথম আলো
একাধিক ফোনে একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন যেভাবে
***********************************************************************
একাধিক ফোনে একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের সুযোগ দিতে ‘কমপেনিয়ন মোড’ সুবিধা রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপে। এ সুবিধার মাধ্যমে সহজেই প্রাইমারি ফোনের বদলে অন্য ফোনে একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যায়। একাধিক ফোনে একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পদ্ধতি দেখে নেওয়া যাক—
একাধিক ফোনে একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের জন্য নতুন ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করতে হবে। এরপর ভাষা নির্ধারণ করে পরবর্তী পেজের ওপরের ডান দিকে থাকা তিনটি ডট মেনুতে ট্যাপ করে ‘লিংক টু এক্সিসটিং অ্যাকাউন্ট’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। পরের পেজে একটি কিউআর কোড দেখা যাবে। এরপর প্রাইমারি ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশের পর ওপরের ডান দিকে থাকা তিনটি ডট মেনুতে ট্যাপ করে ‘লিংকড ডিভাইস’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। এবার পরের পেজে লিংক এ ডিভাইস বাটনে ট্যাপ করে সেকেন্ডারি ফোনে থাকা কিউআর কোডটি স্ক্যান করলেই একই অ্যাকাউন্ট সেকেন্ডারি ফোনে চালু হয়ে যাবে। এভাবে সর্বোচ্চ চারটি ফোনে একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যাবে।
source : প্রথম আলো
সার্চ ফলাফল থেকে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা সহজ করছে গুগল
***********************************************************************
ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রদর্শন নিয়ন্ত্রণ, গোপনীয়তা ও অনলাইন সুরক্ষা নিয়ে নতুন হালনাগাদে কিছু সুবিধা যুক্ত হয়েছে গুগল সার্চে। এক ব্লগে এ তথ্য জানিয়েছে গুগল। এর ফলে গুগল সার্চ ফলাফলে কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য প্রদর্শিত হলে তা তিনি সহজে খুঁজে পাবেন এবং সার্চ ফলাফল থেকে মুছে ফেলারও সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া নতুন হালনাগাদে আপত্তিকর ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ঝাপসা করে দেখাবে গুগল। এমনকি ব্যক্তিগত ছবি–সংবলিত আধেয় বা কনটেন্ট গুগল সার্চ থেকে মুছে ফেলার সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারী।
সার্চ ফলাফলে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা সহজ করতে নতুন একটি ড্যাশবোর্ড আনছে গুগল। সার্চের ওয়েব ফলাফলে ব্যক্তিগত কোনো তথ্য দেখানো হলে তা এই ড্যাশবোর্ড থেকে জানা যাবে। গত বছর ‘রেজাল্টস অ্যাবাউট ইউ’ টুল চালু করে গুগল। টুলটির হালনাগাদ করে নতুন ড্যাশবোর্ড তৈরি করা হয়েছে। এ টুল ব্যবহার করে ব্যবহারকারী তাঁর ফোন নম্বর, ই–মেইল ও বাসার ঠিকানা–সংবলিত যেকোনো গুগল সার্চ ফলাফল দ্রুত মুছে ফেলার অনুরোধ জানাতে পারবেন। গুগল অ্যাপ থেকে অ্যাকাউন্ট ফটোতে ক্লিক করার পর ‘রেজাল্টস অ্যাবাউট ইউ’ নির্বাচন করে টুলটিতে প্রবেশ করা যাবে। এখন টুলটি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীরা ইংরেজি ভাষায় ব্যবহার করতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে বিশ্বের অন্যান্য স্থান ও ভাষাভাষীদের জন্য সুবিধাটি চালু হবে।
নতুন হালনাগাদে গুগল সার্চে আপত্তিকর ছবি ও সহিংস গ্রাফিক আধেয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঝাপসা আকারে প্রদর্শিত হবে। চলতি মাসে ‘সেফ সার্চ’ নামের সেটিংসটি বিশ্বের সব ব্যবহারকারীর জন্য চালু হবে। ব্যবহার কারী নিজের সুবিধা অনুযায়ী সেটিংসটি বন্ধ বা চালু করতে পারবেন। পাশাপাশি গুগল সার্চ থেকে এখন সহজে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল খুঁজে পাওয়া যাবে। ‘গুগল প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ বা ‘গুগল ফ্যামিলি লিংক’ লিখে গুগলে সার্চ করলে সার্চ ফলাফলে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল খুঁজে পাওয়া যাবে।
এ ছাড়া নতুন হালনাগাদ অনুযায়ী, ব্যক্তিগত ছবি–সংবলিত কোনো আধেয় গুগল সার্চ ফলাফল থেকে মুছে ফেলার অনুরোধ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। তবে কোনো আধেয় বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হলে তা গুগলের এ নীতির জন্য প্রযোজ্য হবে না। গুগল নিজস্ব সার্চ ফলাফল ছাড়া ওয়েবসাইট বা অন্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে আধেয় মুছে ফেলতে পারবে না।
সূত্র: টেকক্রাঞ্চ
source : প্রথম আলো
https://thespytech.com/kraft-p....aper-sustainability- #kraft #kraftboxes #usa #packaging #printnbox
প্রতিবছর এই সময়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব হয়। রাজধানীতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হলেও এবার সারা দেশের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ডেঙ্গু রোগ একটি মশাবাহিত রোগ। এডিস মশার মাধ্যমে এটি ছড়ায়। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন ডেঙ্গু জ্বরে ভুগে প্রতিদিনই মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাই যাঁরা এ সময় ঘুরতে যাচ্ছেন, তাঁদের থাকা উচিত ডেঙ্গু প্রতিরোধী বিশেষ প্রস্তুতি।
ভ্রমণে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য যা করবেন
১। ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ। তাই মশার কামড়ের হাত থেকে নিজেকে এবং আপনার পরিবারকে বাঁচান। বাড়ির চারপাশে পানি জমতে দেবেন না। প্রধানত ডেঙ্গু মশার জন্ম হয় জমে থাকা পানিতে। ভ্রমণেএ যাওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার অনুপস্থিতির সময় ঘরে বা বাহিরে পাত্রে জমানো পানি নাই। যদি থাকে তাহলে পাত্রটি পানি শূন্য করে রাখুন।
২। আপনি যে হোটেলে বা রিসোর্টে থাকতে চান। সম্ভব হলে সেই হোটেলে বা রিসোর্টের আশেপাশে এডিস মশার সম্ভাব্য বাসা আছে কিনা তা দেখে নিত পারেন। যদি মশা থাকার সম্ভাবনা থাকে, সেখানে উঠবেন না। একটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হোটেল বা রিসোর্টে উঠতে পারেন।
৩। মশা তাড়ানোর ক্রিম বা স্প্রে সাথে রাখুন করুন। ইদানীং মশা তাড়ানোর জন্য পেপার মসকুইটো রিপেলেন্ট কয়েল পাওয়া যায়। যেসব জায়গায় বিদ্যুতের অবস্থা বেশি ভালো নয়, সেখানে এই পেপার মসকুইটো রিপেলেন্ট কয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
৪। মশা দুর করতে উল্লেখ্য যোগ্যকার্যকরী ইউনিলিভার কোম্পানির Vaseline Lotion Mosquito Defense এই ক্রিম ব্যবহার করলে মশার হাত থেকে রক্ষা পাবেন।
৫। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে যে, জেনেটিক বিবর্তনের কারণে, এটি রাতেও কামড়াতে পারে, বিশেষ করে ভোরে। তাই ঘরে থাকার সময় হাত-পা ঢেকে রাখতে পারে এমন পোশাক ব্যবহার করুন।
৬। ভ্রমণের সময় জ্বরকে অবহেলা না করে নিকটস্থ হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
আরো দেখুন
ট্রাভেল নিউজ, ভ্রমণ ট্রিপস
https://www.vromonkal.com/2023..../08/beware-of-dengue
https://www.bdlatestjobs.com/2....023/08/cpgcbl-job-ci
https://www.bdlatestjobs.com/2....023/08/cpgcbl-job-ci