Linkeei Linkeei
    #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #xembongda #seo
    Расширенный поиск
  • Вход
  • Регистрация

  • Ночной режим
  • © 2026 Linkeei
    О нас • Каталог • Контакты • Разработчикам • Политика • Условия • Возврат денег • Linkeei App install

    Выбрать Язык

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

Смотреть

Смотреть Катушки Кино

Мероприятия

Просмотр событий Мои мероприятия

Блог

Просмотр статей

рынок

Последние поступления

Страницы

Мои Страницы Понравившиеся страницы

еще

Форум Исследовать популярные посты Игры работы Предложения
Катушки Смотреть Мероприятия рынок Блог Мои Страницы Увидеть все

Знакомьтесь сообщений

Posts

Пользователи

Страницы

группа

Блог

рынок

Мероприятия

Игры

Форум

Кино

работы

Magazine
Magazine
3 лет

পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য ট্রাফিক পুলিশে কাজ করতেন আব্বাস
***********************************************************************
১৯৭০–এর দশকেই সাড়া জাগিয়েছিলেন ইরানে। দেশের অনেক মানুষের কাছে একসময় তিনি আইকনে পরিণত হন। সিনেমা দিয়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপ থেকে গোটা বিশ্বে। চলচ্চিত্র অঙ্গনের নতুন সম্ভাবনার দ্বার সূচিত করা মানুষটির নাম চলচ্চিত্র পরিচালক আব্বাস কিয়ারোস্তামি। আজ ২২ জুন তাঁর জন্মদিন। একসময় পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য ট্রাফিক পুলিশে কাজ করতেন আব্বাস। তারপরের গল্প যেন সিনেমার মতোই। শিশুদের জন্য ভিডিও বানানো এক শিক্ষক কীভাবে চলচ্চিত্রবিশ্বে জায়গা করেন নেন? কেন এখনো তিনি অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক?

কিয়ারোস্তামি তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলায় পড়াশোনা করে গ্রাফিকস ডিজাইনার হিসেবে কাজ শুরু করে। তখনো সিনেমা তাঁকে ততটা পায়নি। সে সময়ই তিনি শিশু–বয়স্কদের বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়নে (দ্য সেন্টার ফর দ্য ইন্টেলেকচুয়াল ডেভেলপমেন্ট অব চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়াং অ্যাডাল্ট) যোগ দেন। এই কাজ করতে গিয়ে তাঁর মনে হয়, পাঠদানের চেয়ে শিশুদের ভিজুয়াল কোনো মাধ্যমে শেখালে কেমন হয়? এই প্রথম শিশুদের জন্য হাতে তুলে নেন ক্যামেরা। বানিয়ে ফেলেন ভিডিও চিত্র, যার মূল বিষয় ছিল, একটি ছোট শিশুর হাতে রুটি। এটি কিনে শিশুটি বাড়ি ফিরছে। হঠাৎ একটি কুকুর তার পিছু নেয়। একসময় সামনে এসে দাঁড়ায়। ভয়ে কুঁকড়ে যায় শিশুটি। এমন পরিস্থিতিতে শিশুরা কী করবে?

এমন প্রশ্নে ইরানের অভিভাবকেরাও তখন শঙ্কিত ছিলেন। কারণ, রাস্তায় প্রায়ই কুকুর দেখে শিশুরা ভয় পেত। ভিডিওটিতে এর উত্তর দেন কিয়ারোস্তামি। তিনি ভিডিওতে দেখান, শিশুটি নিরুপায় হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পরে তার মাথায় বুদ্ধি খেলা করে। রুটির কিছুটা অংশ ছুড়ে ফেললে দেখা যায়, কুকুর সেটা খেতে থাকে। কিছুটা দূরে ছুড়ে দিলে কুকুরও দূরে দৌড়ে চলে যায়। কুকুর তখন শিশুটির বশ্যতা মানে। এ সময় শিশুটি দৌড়ে তার বাসায় চলে আসে।

প্রথম শিক্ষনীয় ভিডিও শর্ট ‘ব্রেডস অ্যান্ড অ্যালি’ বানিয়েই প্রশংসা পান এই পরিচালক। পরবর্তী বেশির ভাগ কাজেই বেছে নেন শিশুদের। শিশুদের নিয়ে প্রথম কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে ২০০৫ সালে গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারোস্তামি বলেছিলেন, ‘ব্রেড অ্যান্ড অ্যালিই আমাকে সিনেমা বানানোতে আকর্ষণ করে। কাজগুলো শিশুতোষ সমস্যা নিয়ে নির্মিত হতো। শুরুতে সেটা ছিল আমার চাকরির অংশ। এই কাজই আমাকে শিল্পী করে তুলেছে। একই সঙ্গে শিখিয়েছে, সিনেমা বানানো কঠিন কাজ।’ একাধিক শিক্ষণীয় ভিডিও বানিয়ে কিয়ারোস্তামি শুরু করেন প্রথম সিনেমা ‘দ্য রিপোর্ট’ নির্মাণের কাজ।

গল্প শোনানোর চেয়ে গল্প শোনার আগ্রহ ছিল কিয়ারোস্তামির। কাজ করতে গিয়ে সবার আগে প্রাধান্য পেত গল্প শোনা। শিশুদের অভিভাবকদের সঙ্গে খাতির জমিয়ে গল্প শুনতেন। বাস্তবের সেসব গল্প ‘দ্য এক্সপেরিয়েন্স’, ‘দ্য ট্রাভেলার’, ‘আ স্যুট ফর ওয়েডিং’, ‘ক্লোজ আপ’সহ প্রায় সব সিনেমায় স্থান পায়। তাঁর খ্যাতি বাড়তে থাকে। তত দিনে তাঁর ট্রেডমার্ক হয়ে যায় কালো চশমা পরা পরিচালক, যাঁর কাজের প্রধান অংশ হয়ে দাঁড়ায় ইরানের অদেখা গ্রামের গল্প। সেগুলো চিত্রকরের আঁকা ছবি হয়ে কিয়ারোস্তামির ক্যামেরায় ধরা দিতে থাকে। বিশ্বের সিনেমা সমালোচকদের কাছে তিনি হয়ে ওঠেন সিনেমার কবি। তাঁর সিনেমায় মুখ্য হয়ে ওঠে দীর্ঘ সময়ব্যাপ্তির শট, সংলাপের অযথা ব্যবহার না করে ক্যামেরার মাধ্যমে দৃশ্যপট-গল্পকে কাজে লাগানো।

আয়োজন খুবই কম। গ্রামের লোকেশন আর অপেশাদার অভিনয়শিল্পীদের কাজে লাগান কিয়ারোস্তামি। সিনেমায় ভয়েস ওভারে সরাসরি পার্সিয়ান কবিতার লাইনগুলো যেন মুগ্ধতা বাড়িয়ে তোলে। কিয়ারোস্তামির বিচিত্র সব ভাবনা বিচিত্র সব পথে গেছে এবং তিনি যা নির্মাণ করেছেন, তার সব কটিই অর্জন করেছে নতুন নতুন অর্থ। এমনকি এ সময় ‘এবিসি আফ্রিকা’ বা ‘টেন অন টেন’-এর মতো যেসব তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন, তা–ও অনন্য। ‘সার্টিফায়েড কপি’, ‘শিরিন’ ও ‘লাইক সামওয়ান ইন লাভ’ ছবিগুলোর কথাও এখানে উল্লেখ করা দরকার।

কান চলচ্চিত্র উৎসব কিংবা ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব যেটাই বলি, তাকে শুনতে হতো, অপেশাদার অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা কতটা কঠিন? তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি গ্রামের গল্পগুলো টানে। আর আমি কখনোই পুরো গল্প লিখি না। চিত্রনাট্যও না। যখন চরিত্রগুলো খুঁজে পাই, তখন তাদের সঙ্গে অনেক সময় কাটাই। খুব কাছ থেকে তাদের জানার চেষ্টা করি। বাস্তবের চরিত্রের সঙ্গেও কথা বলে বোঝার চেষ্টা করি। এই প্রক্রিয়ায় আমাকে দীর্ঘ ছয় মাসের মতো সময় দিতে হয়। এ সময় আমি শুধু নোট নিই। পুরো গল্পটি মাথায় নেওয়ার পর আমি চিত্রনাট্য লেখা শুরু করি। পরে শুটিং শুরু করি। কিন্তু কোনো মহড়া করি না। কিন্তু মূল চরিত্রের মতো আমি তাদের অনেক কাছে চলে যাওয়ার চেষ্টায় থাকি।’

চার যুগের ক্যারিয়ারে কিয়ারোস্তামির ছোঁয়ায় প্রাণ পেয়েছে ইরানের গ্রামের অনেক না বলা গল্প। বাস্তবতা ও কল্পনার আশ্রয়ে তাঁর সিনেমাগুলো কাব্যিক হয়ে ধরা দেয় বিশ্ববাসীর কাছে। তাঁকে তুলনা করা হয় সত্যজিৎ রায়, ভিত্তো ডি সিকা, জ্যাকুয়িস টাটিদের মতো বিখ্যাত পরিচালকদের সঙ্গে। এর অন্যতম কারণ ছিল, কিয়ারোস্তামির প্রতিটি কাজই ছিল নিরীক্ষামূলক। সব সিনেমায়ই চিত্রায়ণে ভিন্নতা নিয়ে কাজ করতেন, ভিন্ন ধরনের নির্মাণপদ্ধতি ও কৌশল নিয়ে কাজ করতেন। এসব নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল, কম বাজেটে কীভাবে সিনেমা বানানো যায়, ইরানের তরুণ নির্মাতাদের সেটা দেখানো।

বলে রাখা দরকার, ৭০ দশকে যখন ইরানিয়ান নিউ ওয়েব জাগ্রত হচ্ছে, তখনই দারিউস মেহের জুঁইয়ের সঙ্গে কাজ শুরু করেন কিয়ারোস্তামি। ইরানিয়ান নিউ ওয়েব প্রতিষ্ঠায় তিনিও ভূমিকা রাখেন। ‘ক্লোজ আপ’, ‘দ্য উইন্ড উইল ক্যারি আস’, ‘টেস্ট অব চেরি’, ‘হোয়্যার ইজ দ্য ফ্রেন্ডস হোম?’ সিনেমাগুলো সে কথাই বলে। রাজনৈতিক বাধাও তাঁকে দমাতে পারেনি। ১৯৯৯ সালে ইরান বিপ্লবের পর অনেক শিল্পীই দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু, কিয়ারোস্তামি তখন ইরানেই নতুন সরকারের কঠোরতার মধ্যেই নিজের কাজ করে যাচ্ছিলেন। বাস্তবতা ও রাজনৈতিক মিশেলে গল্পগুলো দিয়ে একের পর এক সিনেমা বানিয়েছেন। তাঁর নির্মাণের বৈচিত্র্য দিয়েই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, আব্বাস কিয়ারোস্তামি দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না। সব বাধা উপেক্ষা করে তিনি গভীর মনস্তাত্ত্বিক রাজনৈতিক বক্তব্যের সিনেমা বানান। যেসব সিনেমার অর্থ সহজেই ইরানের প্রশাসনের বোধগম্য হতো না।

কিয়ারোস্তামি ‘থ্রো দ্য অলিভ ট্রি’ দিয়ে ১৯৯৪ সালে প্রথম কান চলচ্চিত্র উৎসবে পামদ’রের জন্য মনোনয়ন পান। তিন বছর ‘টেস্ট অব চেরি’র জন্য কান উৎসবে সর্বোচ্চ পুরস্কার জয় করেন। শুধু কানই নয়, ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবেও গ্র্যান্ড প্রাইজসহ একাধিক পুরস্কার জয় করেছেন। ইউনেস্কোর স্বর্ণপদকসহ বিশ্বের একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন এই পরিচালক, লেখক, কবি ও প্রযোজক। কিয়ারোস্তামি ১৯৪০ সালে তেহরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ৪ জুলাই ৭৬ বছর বয়সে মারা যান।

source : প্রথম আলো

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Magazine
Magazine
3 лет

মধুচন্দ্রিমা থেকে ফিরে কাজের জন্য প্রস্তুত আশিস বিদ্যার্থী
***********************************************************************
২৫ মে বিয়ে করেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা আশিস বিদ্যার্থী। আসামের মেয়ে রুপালি বড়ুয়ার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ৫৭ বছর বয়সী এই খল অভিনেতা। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রলের শিকার হন তিনি। হয়েছেন সমালোচনার মুখোমুখি। তবে নেটিজেনদের এসব পাত্তা দেননি তিনি। তাঁদের কটাক্ষের জবাবও দিয়েছিলেন এই অভিনেতা। নেটিজেনদের প্রতি ছুড়ে দিয়েছিলেন প্রশ্ন, বয়স হলে কি মানুষের বাঁচার অধিকার থাকে না? বয়স্ক ব্যক্তিদের অসুখী হয়েই মরতে হবে?
নেটিজেনদের সমালোচনায় কান দেননি তিনি। করে গিয়েছেন নিজের কাজ। গত সপ্তাহে নতুন স্ত্রী রুপালি বড়ুয়ার সঙ্গে মধুচন্দ্রিমায় সিঙ্গাপুর যান আশিস। সেখান থেকে ফিরেই কাজে ফেরার জন্য প্রস্তুতের ঘোষণা দেন তিনি। বিয়ের পর গত এক মাস অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন এই বলিউড অভিনেতা। এবার ফেরার পালা।

গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানালেন, কাজের জন্য এবার প্রস্তুত তিনি। এর সঙ্গে তিনি তাঁর পুরোনো দিনের বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেন এবং লেখেন তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম দিকের গল্প। অভিনয় ক্যারিয়ারে অধিকাংশ সময় খল চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশিস। তিনি জানান, অনেকেই খল অভিনেতা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে কুণ্ঠা বোধ করলেও তিনি এই চরিত্রে অভিনয় করে গর্বিত মনে করেন।

ইনস্টাগ্রামে তিনি লেখেন, ‘আমাদের কাজ আমাদের হয়ে কথা বলবে, যার জন্য আমরা গর্বিত হব। নিজেদের জন্য এবং আমাদের ওপর যাঁরা নির্ভরশীল, তাঁদের ভালো ভবিষ্যৎ তৈরির জন্য কাজ করি। এই কাজ নিয়ে কথা বলতে আমরা কেন লজ্জা পাব এবং নিজেদের ছোট মনে করব?’ তিনি অন্যান্য অভিনেতার প্রতি উপদেশ দেন যে ঘৃণা, নেতিবাচক সমালোচনা এবং অপ্রীতিকর মন্তব্য—এগুলো থাকবেই, তবে থেমে যাওয়া যাবে না। চলতে হবে নিজের লক্ষ্যের দিকে।

এখন আপাতত আশিস বিদ্যার্থীর হাতে নতুন কোনো সিনেমার কাজ নেই। তবে তিনি অভিনয়ের জন্য এখন প্রস্তুত। খুব শিগগিরই হয়তো নতুন কাজের ঘোষণা দেবেন তিনি।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

source : প্রথম আলো

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Magazine
Magazine
3 лет

ট্রলের মুখে অভিনয় ছাড়তে চেয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
***********************************************************************
সামাজিক মাধ্যমে বিদ্রূপের মুখে অভিনয় ছাড়ার চিন্তা করেছিলেন হংকংয়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী গ্রেস চ্যান। ২০১৫ সালে ‘রাইজিং দ্য বার’ সিরিজে প্রথমবারের মতো মূল চরিত্রে হাজির হয়েছিলেন তিনি, তখন তাঁকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অনেকে ট্রল করেছেন। সম্প্রতি একটি আয়োজনে অংশ নিয়ে সেই দুঃসহ সময়ের স্মৃতিচারণা করেছেন তিনি।

৩১ বছর বয়সী অভিনেত্রী গ্রেস চ্যান বলেন, ‘তখন আমার কোনো অভিজ্ঞতা কিংবা প্রশিক্ষণ ছিল না, আমাকে নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছিল। অন্য মানুষকে দেখলেই ভয় লাগছিল, ঘর থেকে বের হতে ইচ্ছা করছিল না। ’
তাঁর অভিযোগ, তখন অনেকে তাঁর চেহারা ও পারিবারিক অবস্থা নিয়েও কটু মন্তব্য করেছেন। তাঁর ভাষ্যে, ‘খুবই হতাশ ছিলাম, অভিনয় ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম। সেটা আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল। ’

সেই ঘটনার ৯ বছর পর নিজেকে হংকংয়ের শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন গ্রেস চ্যান। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমি নিজেকে নিয়ে স্বস্তি বোধ করছি। আগে যদি আমার ২০ ভাগ আত্মবিশ্বাস থাকে, এখন সেটা ৬০ ভাগে উন্নীত হয়েছে। ’

২০১৩ সালে মিস হংকং নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৪ সালে ‘ওভারঅ্যাচিভারস’ নামে একটি সিরিজে অভিনয় করেন তিনি। সিরিজের পাশাপাশি ‘লন্ড্রি শপ স্টারস ইভেন্ট’ ও ‘কি–বোর্ড ওয়ারিয়স’ নামে সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন তিনি।

source : প্রথম আলো

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tanjin Tisha Fan Club
3 лет

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tasnia Farin Fan Club
3 лет

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tanha Tasnia Fan Club
3 лет

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tanha Tasnia Fan Club
3 лет

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tanha Tasnia Fan Club
3 лет

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tanha Tasnia Fan Club
3 лет

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tanha Tasnia Fan Club
3 лет

image
Мне нравится
Комментарий
Перепост
Showing 12459 out of 21301
  • 12455
  • 12456
  • 12457
  • 12458
  • 12459
  • 12460
  • 12461
  • 12462
  • 12463
  • 12464
  • 12465
  • 12466
  • 12467
  • 12468
  • 12469
  • 12470
  • 12471
  • 12472
  • 12473
  • 12474

Изменить предложение

Add Tier.








Выберите изображение
Удалить свой уровень
Вы уверены, что хотите удалить этот уровень?

Отзывы

Чтобы продавать свой контент и публикации, начните с создания нескольких пакетов. Монетизация

Оплатить с помощью кошелька

Оплата

Вы собираетесь приобрести предметы, вы хотите продолжить?

Запросить возврат