সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
যারা এখন স্টুডেন্ট/বেকার/গৃহিণী ফ্রিল্যান্সিং কাজ এর জন্য বা ফেসবুক বুস্ট বা জমি সংক্রান্ত কাজ এর জন্য ১২ ডিজিট নাম্বারের TIN সার্টিফিকেট বানিয়েছেন তাদের অবশই টিন এর জিরো ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে হবে।
গিয়ে জিরো রিটার্ন জমা দিয়ে দেন।
টিউটোরিয়াল ভিডিওঃ
#tincertificate #taxreturn #zeroreturn #nbr
সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
যারা এখন স্টুডেন্ট/বেকার/গৃহিণী ফ্রিল্যান্সিং কাজ এর জন্য বা ফেসবুক বুস্ট বা জমি সংক্রান্ত কাজ এর জন্য ১২ ডিজিট নাম্বারের TIN সার্টিফিকেট বানিয়েছেন তাদের অবশই টিন এর জিরো ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে হবে।
গিয়ে জিরো রিটার্ন জমা দিয়ে দেন।
টিউটোরিয়াল ভিডিওঃ https://www.youtube.com/watch?v=9LLAZgjKbo4
#tincertificate #taxreturn #zeroreturn #nbr
দশ বছর আগে বান্ধবীকে বলেছিলাম।
“ তোকে আমি বিয়ে করব। ”
বান্ধবী জবাবে বলেছিলো।
“ আয়নায় নিজের চেহারাটা দেখছিস কোনদিন? আমার মতো এত সুন্দরী একটা মেয়ে তোর মতো পাতিল কয়লা ছেলের সাথে সংসার করবে ভাবলি কীভাবে? ”
আজকে দশ বছর পর।
সুন্দরীটার বিয়ে হয়ে গেছে। দুটো মেয়েও আছে তাঁর। সেদিন ট্রেনে দেখা হয়েছিলো। তাঁদের দেখে বড়ই চমকে গিয়েছিলাম! কারণ তাঁর স্বামীসহ দুটো মেয়ে একেবারে আলকাতরার মতো কালো!
মেয়েদের সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দিলো। আমি নেমে যাওয়ার আগে তাঁকে বলে এসেছিলাম।
“ তোর একটা মেয়েকে আমি পুত্রবধূ করব। ”
বান্ধবী জবাবে বললো।
“ অপমান করছিস? কালো কী আল্লাহ্ বানায়নি? ”
“ না। বুঝাতে চেয়েছি কোনো মা'ই তাঁর গর্ভে ইচ্ছে করে কালো শিশু ধারণ করে না! ”
বান্ধবীর স্বামীর মহিমাকীর্তন করতে আমি ভুলিনি!
“ মেয়েদের বাবাটা অনেক সুন্দর রে। সত্যিই দারুণ একটা বর পেয়েছিস। ”
বান্ধবীর চোখমুখ লাল হয়ে গেলো। অপমানিত হলো মনে হয়। তবে আমি মন থেকেই বলেছিলাম। লোকটা খুবই সরল মনের। কত সুন্দর করে মেয়ে দুটোর সাথে মজা করছে। আগলে রাখছে। জবাব দিলো।
“ হ্যাঁ, সুন্দর। অনেক সুন্দর। তুই বিয়ে করিসনি? ”
আমি মুচকি হাসলাম। সে বুঝে গেলো আমি বিয়ে করে ফেলেছি। কলেজে থাকতে সে খুব বুদ্ধিমতীই ছিলো।
দাওয়াত দিলি না যে! নাকি পালিয়ে বিয়ে করছিস?
তার চোখে চোখ রেখে বললাম।
পালিয়ে না। আর আমি তোর জ্বলেপুড়ে মরে যাওয়া দেখতে চাইনি।সে এত অপরূপা।দেখে তুই একদম মরে যেতিস। মাথা ঘুরে পড়ে গেলে সেখানে একটা হৈহুল্যই পড়ে যেত না?
বান্ধবী বৌয়ের ছবি দেখতে চাইলো। আমি স্টেশনের কাছে এসে বললাম।
তোর রাতের ঘুমটা নষ্ট হয়ে যাক আমি চাই না! ”
বান্ধবী হাসলো। বয়স বেড়েছে। হাসির ঝলক কমেনি।
আমি যেমন তেমন মেয়েকে দেখে জ্বলব না। আচ্ছা দেখ ঐ মেয়েটার মতো তোর বৌ? সামনের সিটে শাড়ি পড়ে যে বসে আছে মেয়েটা? এত লম্বা লম্বা চুল আমি কমই দেখেছি! এমন হলে আমি ঠিকই জ্বলতাম!
এবার আমিও হাসলাম। কথার উত্তর দিলাম না।
সেই লম্বা চুলের মেয়েটার হাত ধরে ট্রেন থেকে নেমে গেলাম। বান্ধবী ট্রেনের জানালা দিয়ে আমার দিকে চেয়ে বললো।
অসভ্যগিরি ছাড়লি না। সুন্দরী মেয়ে দেখলেই হাত ধরতে মন চায়? আর এইযে আপু আপনিও কিছু বলছেন না যে?
মেয়েটা লজ্জা পেয়ে গেলো। গালগোল লাল হয়ে গেছে। চোখদুটো নিচু করে বললো।
“ বর হাত ধরবে না তো কে ধরবে আপু? ”
বান্ধবী জানালাটা টেনে দিলো কেন বুঝলাম না"
সমাপ্ত
যারা নারীলোভী পুরুষ,তাদের মধ্যে অদ্ভুত এক মায়া আছে, তারা মায়ায় ফেলে নারীকে ধোঁকা দেয়! এরা প্রিটেন্ড করে এদের পার্সোনালিটি অনেক হাই, এদের ইগো অনেক, এরা জীবনের না পাওয়ায় বিরক্ত, এগুলো কমন সাইন এদের, মেয়ে পটানোর জন্য!
মেয়েরা এই ধরনের পুরুষের প্রেমে বেশি পড়ে! কারন, মেয়েরা ভুল মানুষকে ভালোবেসে কষ্ট পেতে পছন্দ করে।
নারীলোভী এই ছেলেরা অনেকের প্রেমে অনেক ভাবে পরে! এরা একই ভাবে সকলের প্রেমে পরে না! এদের সময়সীমা অতিক্রম করে হয়ে গেলে এরা চলে যাবে, এবং যাওয়ার আগে এমন ভাব করবে যেনো মেয়েটা তাকে ভালোবেসে, প্রেমে পড়ে ভুল করেছে! এরা একটু অদ্ভুতরকম চালাক মানুষ!
এদের মানুষের ভালোবাসা সহ্য হয় না! একই জায়গার মায়া, ভালোবাসা এদের সহ্য হয় না৷ এরা মায়ায় ফেলবে অদ্ভুতভাবে কিন্তু ভাব ধরবে যে সে কিছুই করে নাই। দিনশেষে, জায়গা বদলে এরা কমফোর্ট থাকে। 🙂
লেখায়: আনিকা তাহসিন সাদিয়া
https://www.deccanherald.com/b....randspot/pr-spot/her
ব্যাখ্যাতীত কিছু গল্প নিয়ে প্রতি সপ্তাহে ময়ূরাক্ষী ফিল্মস একটি করে অডিওবুক প্রকাশ করছে। যাদের শুনতে ভাললাগে তাদের জন্য এই লিংকটি।
বই পড়তে যারা ভালবাসেন। তাদের জন্য অডিওবুক প্রকাশিত হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে একটি করে।