১৯৭১ সালে, বেশিরভাগ কিশোর-কিশোরী ছবি তুলত বিড়াল বা কুকুরের সঙ্গে।
কিন্তু Melanie Griffith ছবি তুলেছিলেন ৪০০ পাউন্ড ওজনের একটি সিংহের সঙ্গে। 🦁😳
তার মা, Tippi Hedren, এবং সৎ বাবা Noel Marshall একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ সিংহ—Neil—কে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন “গবেষণার” জন্য, বড় বিড়ালজাতীয় প্রাণী নিয়ে একটি সিনেমা বানানোর উদ্দেশ্যে।
কিন্তু তারা শুধু তাকে পর্যবেক্ষণ করেননি—তারা তার সঙ্গে বসবাস করতেন।
Neil তাদের বিছানায় ঘুমাতো।
সে পুলের পাশে বিশ্রাম নিতো।
সে রান্নাঘরে ঘুরে বেড়াতো… এমনকি মাঝে মাঝে ফ্রিজে মাথা ঢুকিয়ে খাবারও খুঁজত।
Melanie—তখনও একজন কিশোরী—তার জন্য এই বিশাল শিকারি প্রাণী ছিল দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ।
কিন্তু কয়েক বছর পর যখন Roar সিনেমার শুটিং শুরু হলো, তখন বাস্তবতা ভয়াবহভাবে সামনে এলো।
শুরু থেকেই সিনেমাটি ছিল বিশৃঙ্খল।
Melanie গুরুতরভাবে আহত হন—তার মুখে প্রায় ৫০টি সেলাই দিতে হয়।
Noel বারবার আক্রমণের শিকার হন এবং একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।
Tippi-কে কামড়ানো হয়, আঁচড়ানো হয়, এমনকি একটি হাতি তাকে ছুড়ে ফেলে দেয়—ফলে তার পা ভেঙে যায়।
শুটিং শেষ হওয়ার আগেই ৭০ জনেরও বেশি অভিনেতা ও কর্মী আহত হন—যার ফলে Roar হলিউড ইতিহাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক চলচ্চিত্র শুটিংগুলোর একটি হয়ে ওঠে। 🎬⚠️
আর অদ্ভুত বিষয়?
Neil—যে সিংহটির সঙ্গে তারা বসবাস করতেন—সে-ই ছিল সবচেয়ে শান্ত।
সে কখনও কাউকে আক্রমণ করেনি।
সে ছিল ব্যতিক্রম—একটি বাড়িতে, যেখানে বন্য প্রাণীদের এমনভাবে রাখা হয়েছিল, যেভাবে কখনওই রাখা উচিত ছিল না।
আজ, Melanie-র সেই বিশাল সিংহের পাশে আরাম করে বসে থাকার ছবিগুলো অবাস্তব মনে হয়—একটি সময়ের প্রতিচ্ছবি, যখন হলিউড সীমা অতিক্রম করত এমনভাবে, যা আজ কল্পনাও করা যায় না।
একটি পরিবার একসঙ্গে নাস্তা করছে, টিভি দেখছে, ঘরের ভেতর হাঁটছে—একটি শিকারি প্রাণীর সঙ্গে, যার স্থান ছিল বন্য প্রকৃতিতে… সোফায় নয়।