সাত দিন ধরে ব্লেইন হাজার হাজার দর্শকের সামনে পানিভর্তি একটি ট্যাংকের ভেতরে অবস্থান করেছিলেন। তার নড়াচড়ার সুযোগ ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং কঠোর পর্যবেক্ষণের মধ্যে একটি নিয়ন্ত্রিত শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যবস্থা ব্যবহার করে তিনি অক্সিজেন গ্রহণ করতেন।
এই পুরো সময়ে তার শরীরে নাটকীয় কিছু শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে। তার হৃদস্পন্দন ধীর হয়ে যায় এবং শরীরের বিপাকক্রিয়া কম অক্সিজেন ব্যবহারের একটি সংরক্ষণমূলক অবস্থায় চলে যায়। এর ফলে তিনি এমন পরিস্থিতি সহ্য করতে সক্ষম হন, যা তীব্র প্রস্তুতি ও নিয়ন্ত্রণ ছাড়া একজন মানুষের জন্য প্রাণঘাতী হতে পারত। মৃত্যুর প্রকৃত ঝুঁকি থাকায় পুরো চ্যালেঞ্জটি চিকিৎসক ও অ্যাপনিয়া বিশেষজ্ঞদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে সম্পন্ন হয়।
ব্লেইন সফলভাবে এই অসাধারণ কীর্তি সম্পন্ন করেন এবং কোনো স্থায়ী ক্ষতি ছাড়াই তা শেষ করেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে, অসাধারণ শারীরিক শৃঙ্খলা ও মানসিক নিয়ন্ত্রণের এমন এক স্তরে পৌঁছানো সম্ভব, যা খুব কম মানুষই অর্জন করতে পারে।