একসময় এলেনা গুলিয়াকোভা (Elena Gouliakova) ১৯৯০-এর দশকে ইউরোপজুড়ে তার নৈপুণ্য ও সৌন্দর্যময় ফিগার স্কেটিংয়ের জন্য ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন।
২০০০ সালে তিনি তার স্বামী ও কোচ নিকোলাই সুয়েতভের (Nikolay Suetov) সঙ্গে মেক্সিকোতে চলে যান। সেখানে তারা একসঙ্গে মনতেরেই শহরে একটি স্কেটিং একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রথমবারের মতো মেক্সিকোর বহু শিশুকে ফিগার স্কেটিং শেখার সুযোগ করে দেন।
তবে একাডেমিটি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ২০০৬ সালে একটি কষ্টদায়ক বিবাহবিচ্ছেদের পর তার জীবনে নেমে আসে কঠিন সময়।
২০১০ সালে তার প্যারানয়েড স্কিজোফ্রেনিয়া ধরা পড়ে। ধীরে ধীরে তিনি গৃহহীন হয়ে পড়েন এবং সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান।
বর্তমানে তিনি মেক্সিকোর তেপাতিতলান শহরের রাস্তায় জীবনযাপন করেন। প্রায়ই তাকে একটি ছোট ঠেলাগাড়ি ঠেলে নিয়ে যেতে এবং নিজের প্রাণীদের যত্ন নিতে দেখা যায়।
জানা যায়, তিনি বেশিরভাগ সাহায্যের প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করেন। এর একটি কারণ ভাষাগত বাধা—তিনি শুধু রুশ ও ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারেন।
তার জীবনের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, খ্যাতি ও সাফল্য কতটা ক্ষণস্থায়ী হতে পারে, এবং কখনও কখনও গৌরব থেকে চরম অসহায়ত্বে পৌঁছাতে খুব বেশি সময় লাগে না।
অনেকেই তাকে একটি শক্তিশালী ছবির জন্য মনে রাখবেন—
এক তরুণী, একটি প্লাস্টিকের বাটির ভেতরে বসে,
মুখে এক উজ্জ্বল হাসি নিয়ে পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে আছেন।
তার নাম ছিল রাহমা হারুনা।
নাইজেরিয়ার কানো শহরে জন্ম নেওয়া রাহমার মাত্র ছয় মাস বয়সে একটি রহস্যময় শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, যা তার শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি থামিয়ে দেয়।
তার হাত-পা কখনোই পুরোপুরি বিকশিত হয়নি।
তিনি নিজে থেকে চলাফেরা করতে পারতেন না।
সেই প্লাস্টিকের বাটিটিই হয়ে উঠেছিল তার হুইলচেয়ার।
এটাই ছিল তার চলাচলের একমাত্র উপায়।
প্রতিদিন তার দরিদ্র কিন্তু অত্যন্ত স্নেহশীল পরিবার তাকে বাইরে নিয়ে যেত,
যাতে তিনি সূর্যের আলো অনুভব করতে পারেন,
বন্ধুদের দেখতে পারেন,
এবং সুযোগ হলে চিকিৎসকের কাছেও যেতে পারেন।
তার জীবন ছিল কষ্ট আর সীমাবদ্ধতায় ভরা।
কিন্তু তার মনোবল কখনো ভেঙে পড়েনি।
রাহমার স্বপ্ন ছিল নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার,
পরিবারকে সাহায্য করার,
এবং সবাইকে দেখিয়ে দেওয়ার যে একজন মানুষের পরিচয় শুধু তার শরীর নয়।
খ্যাতি পাওয়ার কোনো চেষ্টা না করেও
তিনি বিশ্বের হাজারো মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।
কারণ তার গল্প আমাদের এমন একটি সত্য মনে করিয়ে দেয়,
যা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই—
মানুষের মহত্ত্ব তার শরীর কতটা সক্ষম, তা দিয়ে নয়;
বরং প্রতিকূলতার মধ্যেও তার মন কতটা দৃঢ় থাকে, তা দিয়েই পরিমাপ করা হয়।
তিনি প্রায় কিছুই না নিয়েই জীবন কাটিয়েছেন।
তবুও পৃথিবীকে দিয়ে গেছেন এক বিরল শিক্ষা—
তিক্ততাহীন সাহস,
আর রাগহীন দৃঢ়তার এক অনন্য উদাহরণ।
একসময় এলেনা গুলিয়াকোভা (Elena Gouliakova) ১৯৯০-এর দশকে ইউরোপজুড়ে তার নৈপুণ্য ও সৌন্দর্যময় ফিগার স্কেটিংয়ের জন্য ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন।
২০০০ সালে তিনি তার স্বামী ও কোচ নিকোলাই সুয়েতভের (Nikolay Suetov) সঙ্গে মেক্সিকোতে চলে যান। সেখানে তারা একসঙ্গে মনতেরেই শহরে একটি স্কেটিং একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রথমবারের মতো মেক্সিকোর বহু শিশুকে ফিগার স্কেটিং শেখার সুযোগ করে দেন।
তবে একাডেমিটি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ২০০৬ সালে একটি কষ্টদায়ক বিবাহবিচ্ছেদের পর তার জীবনে নেমে আসে কঠিন সময়।
২০১০ সালে তার প্যারানয়েড স্কিজোফ্রেনিয়া ধরা পড়ে। ধীরে ধীরে তিনি গৃহহীন হয়ে পড়েন এবং সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান।
বর্তমানে তিনি মেক্সিকোর তেপাতিতলান শহরের রাস্তায় জীবনযাপন করেন। প্রায়ই তাকে একটি ছোট ঠেলাগাড়ি ঠেলে নিয়ে যেতে এবং নিজের প্রাণীদের যত্ন নিতে দেখা যায়।
জানা যায়, তিনি বেশিরভাগ সাহায্যের প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করেন। এর একটি কারণ ভাষাগত বাধা—তিনি শুধু রুশ ও ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারেন।
তার জীবনের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, খ্যাতি ও সাফল্য কতটা ক্ষণস্থায়ী হতে পারে, এবং কখনও কখনও গৌরব থেকে চরম অসহায়ত্বে পৌঁছাতে খুব বেশি সময় লাগে না।
অনেকেই তাকে একটি শক্তিশালী ছবির জন্য মনে রাখবেন—
এক তরুণী, একটি প্লাস্টিকের বাটির ভেতরে বসে,
মুখে এক উজ্জ্বল হাসি নিয়ে পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে আছেন।
তার নাম ছিল রাহমা হারুনা।
নাইজেরিয়ার কানো শহরে জন্ম নেওয়া রাহমার মাত্র ছয় মাস বয়সে একটি রহস্যময় শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, যা তার শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি থামিয়ে দেয়।
তার হাত-পা কখনোই পুরোপুরি বিকশিত হয়নি।
তিনি নিজে থেকে চলাফেরা করতে পারতেন না।
সেই প্লাস্টিকের বাটিটিই হয়ে উঠেছিল তার হুইলচেয়ার।
এটাই ছিল তার চলাচলের একমাত্র উপায়।
প্রতিদিন তার দরিদ্র কিন্তু অত্যন্ত স্নেহশীল পরিবার তাকে বাইরে নিয়ে যেত,
যাতে তিনি সূর্যের আলো অনুভব করতে পারেন,
বন্ধুদের দেখতে পারেন,
এবং সুযোগ হলে চিকিৎসকের কাছেও যেতে পারেন।
তার জীবন ছিল কষ্ট আর সীমাবদ্ধতায় ভরা।
কিন্তু তার মনোবল কখনো ভেঙে পড়েনি।
রাহমার স্বপ্ন ছিল নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার,
পরিবারকে সাহায্য করার,
এবং সবাইকে দেখিয়ে দেওয়ার যে একজন মানুষের পরিচয় শুধু তার শরীর নয়।
খ্যাতি পাওয়ার কোনো চেষ্টা না করেও
তিনি বিশ্বের হাজারো মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।
কারণ তার গল্প আমাদের এমন একটি সত্য মনে করিয়ে দেয়,
যা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই—
মানুষের মহত্ত্ব তার শরীর কতটা সক্ষম, তা দিয়ে নয়;
বরং প্রতিকূলতার মধ্যেও তার মন কতটা দৃঢ় থাকে, তা দিয়েই পরিমাপ করা হয়।
তিনি প্রায় কিছুই না নিয়েই জীবন কাটিয়েছেন।
তবুও পৃথিবীকে দিয়ে গেছেন এক বিরল শিক্ষা—
তিক্ততাহীন সাহস,
আর রাগহীন দৃঢ়তার এক অনন্য উদাহরণ।
Website: https://weestevree.nl/
Install app for better experience