ইয়াং শিনমিন একজন চীনা বডিবিল্ডার, যিনি বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীর দুর্বল হয়ে পড়তেই হবে—এই প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। ১৯৮৪ সালে চীনে বডিবিল্ডিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরপরই তিনি এই খেলায় যুক্ত হন এবং এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাননি।
তারপর থেকে তিনি অসংখ্য পদক অর্জন করেছেন এবং শরীরচর্চাকে নিজের জীবনযাপনের একটি নিয়মিত অংশে পরিণত করেছেন। তাঁর প্রতিদিনের রুটিনও অত্যন্ত শৃঙ্খলাপূর্ণ:
সকালে দৌড়ানো
প্রায় ৯০ মিনিট ওজন নিয়ে ব্যায়াম করা
সকালের নাশতায় ৬–৮টি ডিম, ওটমিল, টমেটো ও শসা খাওয়া
তাঁর চিকিৎসকদের মতে, তাঁর হাড়ের ঘনত্ব প্রায় ৩০ বছর বয়সী একজন মানুষের মতো। বর্তমানে তাঁর লক্ষ্য আর প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদে সুস্থতা, শক্তি ও কর্মক্ষমতা ধরে রাখা। তিনি ৮০ বছর বা তারও বেশি বয়স পর্যন্ত সক্রিয় ও সুস্থ থাকার লক্ষ্য নিয়ে জীবনযাপন করছেন।
ইয়াং শিনমিন যেন প্রমাণ করে চলেছেন—
বয়স সবসময় সীমাবদ্ধতা নয়; অনেক সময় সীমাবদ্ধতা তৈরি হয় আমাদের মানসিকতার মধ্যে।