জে'ফ্রি এ'প'স্টে'ই'ন ফাইল প্রকাশের আগ পর্যন্ত জানতাম ই-লুমিনাতির সদস্যরাই কেবল দা/জ্জালের প্রতিনিধিত্ব করে। আর এখন জানলাম এ'পস্টেই'ন......
এই এপস্টেইন মূলত বলা যায় শয়তানের পূজা করার মতো একটা জগৎ। পৃথিবীর একটা ডার্কসাইড এটা এখানে যারা যায় তারাই বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করছে নানাভাবে।এখানে শিশুদের ধর্ষন করে বলি দেয়া হয় শয়তানের নামে। তারপর সেই শিশুকে রোস্ট করে খাওয়া হয়। মেয়েদের ধর্ষণ করে প্রেগন্যান্ট করা হয় যাতে তাদের সেই ভ্রূণ দিয়ে স্যুপ বানিয়ে খাওয়া যায়।
তারা যে বলি দেয় তারা বিশ্বাস করে তার ফলে বা'ল বা বা'য়াল নামের কোন শক্তি তাদের ক্ষমতা, রাজত্ব, সম্পদ দিয়ে বিশ্বে রাজত্ব করতে দিবে। কোরআনে ১৪০০ বছর আগেই সেই বা'য়াল সম্পর্কে বলা হয়েছিল আর তারা সেই বা'য়ালকেই শক্তির মালিক ভাবে।
"তোমরা কি বা’লকে (দেবমূর্তি) ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা"
-- সুরা আস সাফফাত: আয়াতঃ১২৫
এখানে বিশ্বের সব ক্ষমতাধর মানুষের সাথে মুসলিম রাষ্ট্রের বিশেষ করে আরব রাষ্ট্রনেতারাও আছে। আছে মোদী থেকে শুরু করে বর্তমানে সবার প্রিয় মামদানী পরিবারও। মামদানীর মা মিরা নায়ারে ছিলেন এপস্টেইনে ভিআইপিদের নারী ও শিশু সাপ্লায়ার।
এই মামদানী পরিবারের সাথে ঘনিষ্ঠ হচ্ছে জামাত নেতা মীর কাসিমের পরিবারের। জামাত নেত্রী শাহানা মাসুম যিনি ঢাকা-১৪ আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ব্যারিস্টার আরমানের চাচী।
অন্যদিকে, ক্লিনটন থেকে শুরু করে বুশ, ওবামা, বাইডেন হয়ে ট্রাম্প সবাই আছে এই চক্রে।
এই ফাইলে মিস্টার ইউনুসের নাম ১২ থেকে ১৩ বার এসেছে। পাকিস্তান জামাত ইসলাম থেকে শুরু করে তুরস্ক এমনকি সিরিয়ার বাশার আল আসাদরাও এই চক্রের সাথে জড়িত ছিল।
একটা সময় হাসিনাকেও এই পার্টিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তবে সম্ভবত তিনি সেখানে গিয়েছিলেন কিংবা কোনভাবে ইগনোর করেছেন কিন্তু সেই নথি পাওয়া যায়নি তবে, যেহেতু আরো ২৫ লক্ষ নথি প্রকাশের অপেক্ষায় হয়তো তখন জানা যাবে। বাংলাদেশের icddrb তে এই চক্রের ঘনিষ্ঠতা আছে যেখান থেকে দেশের মানুষ করোনা থেকে শুরু করে কতশত টিকা গ্রহণ করেছে। আর এগুলোর প্রায় সবকিছুর সাইড এফেক্ট
হচ্ছে।
এই এপেস্টেইন বা এরকম ডার্কসাইড নিয়ন্ত্রণ করে ইহুদীরা যারা সেখানে টেম্পলও নির্মাণ করেছে আর সেই টেম্পলের আদলেই তারা আল আকসা ভেঙ্গে থার্ড টেম্পল নির্মাণ করবে। তারাই অপেক্ষা করছে দাজ্জাল এর আগমনের। খুব সহজ ভাষায় বলে দিলেও এই চক্রটি অনেক জটিল ও ভয়াবহ আর চেইন রিলেটেড।
একজন এপেস্টেইন মারা গেলেও এই ডার্কসাইড শতশত বছর ধরে চলতে থাকে বিভিন্ন নামে। আর নিয়ন্ত্রণ করে সারাবিশ্বের রাষ্ট্রক্ষমতা, উপাসনা করে শয়তানের আর অপেক্ষা করে দাজ্জালের। এর সাথে আপনি ইলুমিনাতির সাদৃশ্যও পাবেন।
এতোকিছু প্রকাশের পরও এদের কিছু হবে না। কারন এরা বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করে। এরা কোন কিছু স্বীকার করবে না আর এসব কিছু ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিবে। বিশ্বে আরো যুদ্ধ বাঁধাবে আর আমরা তা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাবো। যারা এগুলা নিয়ে আগে কথা বলেছে তারাও একটা সময় হারিয়ে গেছে এখন যারা বলছে হয়তো বা তারাও হারিয়ে যাবে।
এখনো আরো প্রায় ২৫ লাখ নথি প্রকাশ্যে আসার অপেক্ষায়। হয়তো আরো ভয়ংকর তথ্য বা মানুষদের সেখানে পাওয়া যাবে।