২০২১ সালের মে মাসে, হালিমা সিসে নামে মালির এক নারী একসঙ্গে নয়টি সন্তানের জন্ম দিয়ে চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় সৃষ্টি করেন, যাদের বলা হয় ননাপ্লেটস 👶👶👶👶👶👶👶👶👶। উচ্চঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণের কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় 🏥, যেখানে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তিনি পাঁচটি কন্যা ও চারটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।
সব নয়টি শিশুই বেঁচে যায় 💙—যা তাদেরকে জন্মের পর বেঁচে থাকা প্রথম পরিচিত ননাপ্লেটস হিসেবে ইতিহাসে স্থান দেয়। এই অসাধারণ সাফল্যের জন্য পরিবারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড 🏆 অর্জন করে, একবারে জন্ম নিয়ে বেঁচে থাকা সর্বাধিক শিশুর রেকর্ড হিসেবে।
চিকিৎসকেরা স্ক্যানের ভিত্তিতে শুরুতে সাতটি শিশুর প্রত্যাশা করেছিলেন, কিন্তু মরক্কোতে পৌঁছানোর পর আরও দুটি শিশুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে, যা এই ঘটনার বিরলতা ও জটিলতাকে তুলে ধরে 🔍। শিশুগুলো প্রায় ৩০ সপ্তাহে অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেয় এবং নিবিড় নবজাতক পরিচর্যার প্রয়োজন হয় 🤍, যেখানে বহু চিকিৎসা পেশাজীবীর একটি বড় দল সহায়তা প্রদান করে।
এরপর থেকে শিশুরা ঘনিষ্ঠ চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে বেড়ে উঠছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিকাশধাপ অতিক্রম করেছে 🌱, যার মধ্যে ২০২৫ সালে তাদের চতুর্থ জন্মদিন উদ্যাপন 🎂ও রয়েছে। তাদের এই যাত্রা বিশ্বজুড়ে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে এবং আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জীবনরক্ষাকারী শক্তিকে তুলে ধরছে ✨
☄️✨ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীরা উল্কাপিণ্ডের ভেতরে জীবনের পাঁচটি জিনগত বেসই শনাক্ত করেছেন — অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন, থাইমিন এবং ইউরাসিল।
এই অণুগুলোই DNA ও RNA-এর মূল উপাদান — জীবনের নিজস্ব কোড। 🧬
Nature Communications-এ প্রকাশিত এই আবিষ্কারটি এক অসাধারণ ইঙ্গিত দেয়: জীবনের উপাদানগুলো হয়তো পৃথিবীতেই জন্মায়নি… বরং কোটি কোটি বছর আগে মহাকাশের পাথরের সঙ্গে ভেসে এখানে এসে পৌঁছেছে। 🌍💫
👉 এই আবিষ্কার জীবনের সূচনা সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে নতুনভাবে গড়ে তোলে এবং আমাদের মহাজাগতিক উৎসের রহস্যকে আরও গভীর করে। পৃথিবী আমাদের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আগেই কি তারাদের মাঝে আমাদের গল্প লেখা হয়ে গিয়েছিল?
💙 মাত্র ১৩ বছর বয়সে লুকাস জেমেলিয়ানোভা এমন এক রোগের কথা শোনে, যা কোনো শিশুরই শোনা উচিত নয়: ডিফিউজ ইনট্রিনসিক পন্টাইন গ্লিওমা (DIPG) — মস্তিষ্কের অন্যতম সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ক্যান্সার, যার বেঁচে থাকার হার প্রায় শূন্য। চিকিৎসকেরা তাকে এক বছরেরও কম সময় বাঁচার আশা দিয়েছিলেন। 💔
কিন্তু সব প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে লুকাস ইতিহাস গড়ে। তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি এই রোগ থেকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হয়ে ওঠেন। একটি যুগান্তকারী, ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসা তার টিউমার পুরোপুরি মুছে দেয় — যা এই ধরনের ক্যান্সারে আগে কখনও দেখা যায়নি। 🧬✨
তার বেঁচে থাকা শুধু তার পরিবারের জন্যই অলৌকিক ঘটনা নয়, এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি একই রোগের মুখোমুখি হওয়া অন্যান্য পরিবারগুলোর জন্য আশার আলো দেখায় এবং এমন এক ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে ব্যক্তিভিত্তিক চিকিৎসা অসম্ভবকেও সম্ভব করে তুলতে পারে। 🌍💡
👉 লুকাসের গল্প প্রমাণ করে— বিজ্ঞান, মানসিক দৃঢ়তা এবং আশা একসঙ্গে মিললে পরিণতিটাই বদলে যেতে পারে।
ভাবা যায় একটুখানি পারিবারিক অসচেতনতার ফলে কত বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। নয় বছর বয়সী এই শিশুর মা হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ভারতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান, শিশুটি প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি জানার পর তার মা থানায় গেলেও তখন কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।
পরবর্তীতে এক নারী পুলিশ কর্মকর্তার উদ্যোগে শিশুটিকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে কিছুদিনের মধ্যেই সে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ভয়ংকর সত্যি সামনে আসে। শিশুটি জানায়, ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত তার ১১ বছর বয়সী আপন বড় ভাই। এই মর্মান্তিক ঘটনা শিশু সুরক্ষা ও পারিবারিক সচেতনতার গুরুত্ব নতুন করে তুলে ধরেছে।
পারিবারিক অসচেতনতার ফলেই মূলত এগুলো হয়ে থাকে তাই সন্তানদের সুরক্ষায় বাবা মায়েদের আরো সচেতন হওয়া জরুরী।