১৯৬২ সালের ১৯ জুলাই, ফরাসি সাইক্লিস্ট হোসে মেইফ্রে জার্মানির একটি মহাসড়কে সাইকেল চালিয়ে অবিশ্বাস্য ২০৪.৭৩ কিমি/ঘণ্টা (১২৭.২৪ মাইল/ঘণ্টা) গতি অর্জন করেন। তিনি এই রেকর্ডটি গড়েন একটি পরিবর্তিত মার্সিডিজ-বেঞ্জ 300SL গাড়ির ঠিক পেছনে তার স্লিপস্ট্রিমে প্যাডেল করে। গাড়িটিতে বায়ু প্রতিরোধ কমানোর জন্য একটি বড় অ্যারোডাইনামিক ফেয়ারিং লাগানো ছিল।
মেইফ্রের সাইকেলটি ছিল অত্যন্ত বিশেষভাবে তৈরি—এতে ছিল বিশাল ১৩০-দাঁতের চেইনরিং, যা চরম উচ্চগতিতে প্যাডেল করার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছিল। রেকর্ড প্রচেষ্টার সময় তিনি তীব্র কম্পন, খুবই কম স্থিতিশীলতা এবং মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকির মুখে পড়েন—এমন গতি যা সাধারণত মোটরযানের জন্যই সংরক্ষিত।
সব ঝুঁকি সত্ত্বেও, তিনি যথেষ্ট সময় নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হন এবং সাইক্লিং ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর গতির রেকর্ড স্থাপন করেন। এই কীর্তি আজও মানব সাহস, প্রকৌশল দক্ষতা এবং কাঁচা শক্তির এক অসাধারণ মানদণ্ড হিসেবে অমর হয়ে আছে।
প্রকৃতির যে সত্যিই রসবোধ আছে, তার প্রমাণ মেলে এখানেই।
হাওয়াইয়ের গভীর অরণ্যে লুকিয়ে থাকে এক বিরল মাকড়সা—যাকে বলা হয় “হ্যাপি ফেস” স্পাইডার। পৃথিবীর আর কোথাও এই ক্ষুদ্র প্রজাতিটির দেখা মেলে না। এর শরীরে থাকা হাসিমুখের মতো নকশাগুলো কোনোভাবে আঁকা বা পরিবর্তিত নয়—এগুলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, জিনগত বৈশিষ্ট্যের ফল।
এই মাকড়সাটিকে আরও বিস্ময়কর করে তোলে একটি বিষয়—একটিও আরেকটির মতো নয়। প্রতিটি মাকড়সার গায়ে থাকে আলাদা আলাদা নকশা, যেন প্রকৃতির তৈরি জীবন্ত আঙুলের ছাপ। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই নকশাগুলো ছদ্মবেশ ধারণ বা টিকে থাকার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
এটি প্রমাণ করে যে প্রকৃতি কতটা আশ্চর্য—সবচেয়ে ছোট প্রাণীর মধ্যেও লুকিয়ে থাকতে পারে সবচেয়ে বড় চমক, আর তার সঙ্গে এক চিলতে হাসি।
হাত-পা ছাড়া জন্মেও হার মানেননি প্রিন্স রেন্ডিয়ান!
১৮৭১ সালে জন্ম নেন প্রিন্স রেন্ডিয়ান। জন্মের সময়ই তার কোনো হাত-পা ছিল না। পৃথিবী তাকে চিনেছে 'দ্য হিউম্যান ক্যাটারপিলার' নামে।
প্রিন্স রেন্ডিয়ানের ছিল টেট্রা-অ্যামেলিয়া সিনড্রোম। এটি অত্যন্ত বিরল একটি শারীরিক অবস্থা। এই অবস্থায় জন্মালে অনেকেই ধরে নিতেন, মানুষটি সারাজীবন পরনির্ভরশীল থাকবে।
কিন্তু রেন্ডিয়ান সেই ধারণা ভেঙে দিয়েছেন। তিনি নিজে নিজেই শিখে নিয়েছিলেন কীভাবে চলতে হয়। কীভাবে কাজ করতে হয়। কীভাবে বাঁচতে হয় নিজের মতো করে।
শুধু মুখ, কাঁধ এবং শরীর উর্ধ্বাংশ ব্যবহার করে তিনি নানা কাজ করতে পারতেন। তিনি শেভ করতেন। দিয়াশলাই জ্বালাতেন। ধূমপান করতেন। কলম দিয়ে লিখতেন। এমনকি ছবি আঁকতেও পারতেন।
অনেক সময় তিনি ঠোঁটের মধ্যে ব্রাশ বা কলম ধরে খুব সাবধানে রেখা টানতেন। আবার কিছু কাজের জন্য বিশেষভাবে বানানো কাঠের সাপোর্ট ব্যবহার করতেন। সেটি দিয়ে তিনি রেজার বা প্রয়োজনীয় জিনিস ধরতে পারতেন।
১৯৩২ সালে তিনি আলোচিত সিনেমা ‘ফ্রিকস’-এ অভিনয় করেন। সেই সিনেমায় দর্শকরা দেখেছেন, তিনি ক্যামেরার সামনে শান্তভাবে সিগারেট গুটিয়ে নেন। তারপর নিজেই আগুন ধরান।
তবে প্রিন্স রেন্ডিয়ানের জীবন শুধু মঞ্চ বা পর্দার মধ্যে আটকে ছিল না। তিনি আর আট-দশজনের মতোই জীবন যাপন করেছেন। একজন নারীকে ভালোবেসেছেন, পরিবার গড়েছেন।
সারাহ নামে এক নারীকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের পাঁচ সন্তান ছিল। চার মেয়ে ও এক ছেলে।
তার জীবনে কষ্ট ছিল। সংগ্রাম ছিল। সমাজ তাকে অনেক সময় কৌতূহলের বস্তু হিসেবে দেখেছে। কিন্তু তিনি সেই জায়গাকেই নিজের শক্তির জায়গা বানিয়েছিলেন। তিনি কারও করুণা চাননি। তিনি নিজের জীবনাচার দিয়ে দেখিয়েছেন- মানুষ চাইলে অসম্ভবকেও সম্ভব করে তুলতে পারে।
We are your go-to Markham HVAC specialists, providing dependable heating and cooling solutions in Markham and the surrounding areas. We have been family-run since 1983. In order to keep your house comfortable all year round, our staff specializes in furnace repair, air conditioner repair, furnace installation, and air conditioning installation. For more information about Markham Heating & Air Conditioning Services For All visit https://markhamheating.com/
এই মানুষটি মানুষের এক বিব্রতকর সমস্যার দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, “আমি এটা ঠিক করতে পারি।”
ফরাসি উদ্ভাবক ক্রিশ্চিয়ান পয়েনশেভাল এমন এক ধরনের বড়ি তৈরি করেছেন, যা পেটের গ্যাসের দুর্গন্ধকে বদলে দেয়—গোলাপ, বেগুনি ফুল, চকলেট কিংবা আদার সুগন্ধে। হ্যাঁ, সত্যিই।
এই ধারণার জন্ম হয় এক বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ভারী রাতের খাবারের পর, যখন ঘরের পরিবেশ হয়ে উঠেছিল… ভুলবার নয়। বিষয়টা হাসিতে উড়িয়ে না দিয়ে, তিনি কাজে নেমে পড়েন। উদ্ভিজ্জ কার্বন, মৌরি, সামুদ্রিক শৈবাল, ব্লুবেরি এমনকি আসল কোকোসহ নানা প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে তিনি এমন একটি হজমবান্ধব বড়ি তৈরি করেন, যা সমস্যার গোড়াতেই গন্ধের পরিবর্তন ঘটায়।
এই বড়িগুলো সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত, অনলাইনে বিক্রি হয় এবং আশ্চর্যজনকভাবে বেশ জনপ্রিয়। এমনকি কুকুরের জন্যও তিনি আলাদা সংস্করণ তৈরি করেছেন।
কেউ কেউ রোগের চিকিৎসা আবিষ্কার করেন। আর কেউ কেউ জীবনকে একটু বেশি ভদ্র করে তোলেন।
১৮ জানুয়ারির রাতে আন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুর জেলার চিলুভুরু গ্রামে ঘটে গেল একটা ভয়ংকর, হৃদয়বিদারক ঘটনা।
লক্ষ্মী মাধুরী তার স্বামী লোকম শিব নাগরাজু (যিনি পেঁয়াজের ব্যবসায়ী ছিলেন) এর জন্য বিরিয়ানি রান্না করলেন। কিন্তু সেই বিরিয়ানিতে তিনি প্রায় ২০টা ঘুমের গোলি (স্লিপিং পিলস) মিশিয়ে দিলেন। খাবার খেয়ে নাগরাজু গভীর অচেতন অবস্থায় চলে গেলেন। তারপর তার প্রেমিক গোপী এল। গোপী স্বামীর বুকে চড়ে বসল, তারপর বালিশ দিয়ে মুখ চেপে ধরে দম বন্ধ করে হত্যা করল। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর দুজনে শবের পাশে বসে সারা রাত পর্ন দেখল এবং শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হল। সকালে মাধুরী প্রতিবেশীদের বললেন—পতির হার্ট অ্যাটাক হয়েছে।
কিন্তু শবের উপর চোটের দাগ, কান থেকে রক্তপাত আর বুকের হাড় ভাঙা দেখে সন্দেহ হল। পোস্টমর্টেমে জানা গেল—মৃত্যুর কারণ দম বন্ধ হয়ে যাওয়া আর বুকের হাড় ভাঙা। মাধুরী অপরাধ স্বীকার করেছেন। গোপীর খোঁজ চলছে।
এই ঘটনা শুধু একটা হত্যাকাণ্ড নয়—এটা পর্নোগ্রাফির ভয়ংকর প্রভাবের একটা জ্বলজ্বলে উদাহরণ। পর্ন এখন এত সহজলভ্য যে এটা অনেকের মধ্যে সহানুভূতি (empathy), অপরাধবোধ (guilt) আর মানবিক সংবেদনশীলতাকে একেবারে নিস্তেজ করে দিচ্ছে। মৃত স্বামীর লাশ পাশে পড়ে থাকা সত্ত্বেও সারা রাত অশ্লীল ভিডিও দেখা আর শারীরিক উত্তেজনায় মগ্ন হয়ে থাকা—এটা শুধু অদ্ভুত নয়, এটা মানুষের ভেতরের মানবতার মৃত্যুর প্রতীক।
যৌনতার এই অন্ধ আকর্ষণ যখন সম্পর্ক, দায়িত্ব আর সংবেদনশীলতাকে গ্রাস করে ফেলে, তখন মানুষ সত্যিকারের ভালোবাসা আর মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলে। পর্নের অতিরিক্ত ব্যবহার অনেক তরুণ-তরুণীর মধ্যে এই সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে—তারা বাস্তব সম্পর্কের গভীরতা বোঝে না, শুধু তাৎক্ষণিক উত্তেজনার পিছনে ছোটে। এটা একটা গভীর সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
** পর্ন দেখা যদি অভ্যাস হয়ে যায়, তাহলে তা মনের সহানুভূতি, দায়বোধ আর মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাকে ক্ষয় করে দেয়। সুস্থ যৌনতা বাস্তব সম্পর্কে, সম্মানে আর ভালোবাসায় থাকে—অনলাইনের অন্ধকারে নয়। নিজের মনকে রক্ষা করুন, পরিবারকে রক্ষা করুন—পর্নের অতিরিক্ত আসক্তি থেকে দূরে থাকুন। এই ঘটনা আমাদের সতর্ক করে যে, যৌনতা যখন সংবেদনহীনতায় পরিণত হয়, তখন মানুষের ভেতরের মানবতা মরে যায়।