Linkeei Linkeei
    #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #xembongda #seo
    Advanced Search
  • Login
  • Create a new account or Register

  • Night mode
  • © 2026 Linkeei
    About • Directory • Contact Us • Developers • Privacy Policy • Terms of Use • Refund • Linkeei App install

    Select Language

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

Watch

Watch Reels Movies

Events

Browse Events My events

Blog

Browse articles

Market

Latest Products

Pages

My Pages Liked Pages

More

Forum Explore Popular Posts Games Jobs Offers
Reels Watch Events Market Blog My Pages See all

Discover posts

Posts

Users

Pages

Group

Blog

Market

Events

Games

Forum

Movies

Jobs

Magazine
Magazine
3 yrs

ঘুমন্ত নারীর প্রাণ বাঁচাল অ্যাপল ওয়াচ
***********************************************************************
আবারও ব্যবহারকারীর জীবন বাঁচিয়েছে অ্যাপল ওয়াচ। যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের সিনসিনাটি শহরের বাসিন্দা ২৯ বছর বয়সী তরুণী কিমি ওয়াকিন্স নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎই তাঁর হৃৎস্পন্দনের গতি বেড়ে যায়। বিষয়টি শনাক্ত করে অ্যালার্ম বাজিয়ে তাঁকে জাগিয়ে তোলে অ্যাপল ওয়াচ।

কিমি ওয়াকিন্স জানিয়েছেন, সেদিন তিনি শারীরিকভাবে ভালো বোধ করছিলেন না। হালকা মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও শ্বাসকষ্ট ছিল। তাঁর অনুমান ছিল, কম খাওয়ার জন্য এমনটা হয়েছে। তাই তিনি নিজেকে সুস্থ করার জন্য ঘুমানোর চেষ্টা করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ঘুমানোর পর হৃৎস্পন্দন দ্রুত হওয়ার সতর্কবার্তা দিতে থাকে অ্যাপল ওয়াচ। তিনি দেখেন, ১০ মিনিটের বেশি সময় ধরে তাঁর হৃৎস্পন্দন বেশি আসছে। এ সময় হৃৎস্পন্দনের গতি ছিল প্রতি মিনিটে ১৭৮। পরে তিনি দ্রুত হাসপাতালে গেলে স্যাডল পালমোনারি এমবোলিজম বা এসপিই ধরা পড়ে।

সিনসিনাটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ অব মেডিসিনের কার্ডিওলজিস্ট ডা. বেকার জানিয়েছেন, এ রকম পরিস্থিতিতে মানুষের বেঁচে থাকার হার ৫০ শতাংশ। স্যাডল পালমোনারি এমবোলিজমের কারণ রক্ত জমাট বাঁধা গুরুতর ও প্রাণঘাতী। এটি ডান ও বাঁ ফুসফুসের উভয় রক্তনালির ক্ষতি করে। বিষয়টি জানার পর কিমি ওয়াকিন্স বলেন, ‘অ্যাপল ওয়াচের কারণে সময়মতো ঘুম থেকে না জাগলে হয়তো বেঁচে থাকতে পারতাম না।’

উল্লেখ্য, অ্যাপল ওয়াচে ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম বা ইসিজি পরীক্ষার সুবিধা থাকায় ৩০ সেকেন্ডের পরীক্ষায় হৃৎস্পন্দনের যেকোনো অস্বাভাবিকতা—চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন (এফিব) বলে, তার লক্ষণ শনাক্ত করতে পারে। এরই মধ্যে হৃৎস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করে অনেক ব্যবহারকারীর জীবন বাঁচিয়েছে অ্যাপলের তৈরি এই স্মার্টঘড়ি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

আবার শুরু হয়েছে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ প্রতিযোগিতা
***********************************************************************
মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে আবারও সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী সেরা ছয় বিজয়ী চীনে প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তরে হালনাগাদ প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। শুধু তা–ই নয়, সেরা তিন শিক্ষার্থী পাবেন ল্যাপটপ, ট্যাবলেট কম্পিউটার ও স্মার্টওয়াচ পুরস্কার। গতকাল বুধবার রাজধানীর গুলশানে হুয়াওয়ে বাংলাদেশে একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ প্রতিযোগিতা আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের বর্তমান শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রোগ্রাম তাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার ও ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, আইসিটি ক্ষেত্রে মেধা বিকাশে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি চীন ও বাংলাদেশের জন্য কল্যাণকর ভূমিকা রাখবে এই প্রতিযোগিতা।

হুয়াওয়ে এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কমিউনিকেশনস বিভাগের প্রেসিডেন্ট ঝ্যাং ঝেংজুন বলেন, তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপদান করতে সহযোগী হিসেবে অনেক দিন ধরেই বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করছে হুয়াওয়ে।

হুয়াওয়ের তথ্যমতে, স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্যবসা এবং প্রযুক্তি বিষয়ে তিন দিনের বুট ক্যাম্প আয়োজন করা হবে। এরপর নিজেদের তৈরি প্রকল্পের ধারণাপত্র জমা দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। প্রকল্পগুলোর সম্ভাবনা মূল্যায়ন করে বাংলাদেশ পর্ব থেকে সেরা ছয় বিজয়ী নির্বাচন করা হবে।

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

ইউটিউবে পুরোনো ভিডিও খোঁজার নতুন সুবিধা
***********************************************************************
অনলাইনে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম এখন ইউটিউব। শিক্ষা, বিনোদন, খেলা, সংবাদ, প্রযুক্তি, সাজসজ্জা, রান্না ও ভ্রমণ থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের ভিডিও রয়েছে ইউটিউবে। ফলে বিনোদনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রয়োজনেও ইউটিউবে ভিডিও দেখেন অনেকে। আর তাই ব্যবহারকারীদের আগ্রহ বুঝে নিজেদের হোমপেজে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তৈরি সর্বশেষ ভিডিওগুলো দেখিয়ে থাকে ইউটিউব। কিন্তু মাঝেমধ্যে ইউটিউবে থাকা পুরোনো ভিডিও দেখার প্রয়োজন হয়। এ জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের চ্যানেলে প্রবেশ করে পুরোনো ভিডিওর খোঁজ করতে হয়, যা বেশ কষ্টকর। এ সমস্যা সমাধানে পুরোনো ভিডিও খোঁজার জন্য ‘ওল্ডেস্ট’ অপশন চালু করছে ইউটিউব।

‘ওল্ডেস্ট’ নামের অপশনটি সহজেই বিভিন্ন চ্যানেলে যুক্ত করা যাবে। অপশনটিতে ক্লিক করলেই চ্যানেলে প্রকাশ করা পুরোনো ভিডিওগুলো আপলোডের সময়ের ওপর ভিত্তি করে একসঙ্গে দেখা যাবে। ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই স্ক্রল করে এক বা একাধিক বছরের পুরোনো ভিডিওগুলো দেখতে পারবেন।

এরই মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু চ্যানেলকে ওল্ডেস্ট অপশন ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছে ইউটিউব। তবে কবে নাগাদ এ সুবিধা সব ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি ভিডিও দেখার জনপ্রিয় ওয়েবসাইটটি।

উল্লেখ্য, ইউটিউবে পুরোনো ভিডিও খোঁজার জন্য আগে একটি ট্যাব ছিল। কিন্তু গত বছর হঠাৎ ট্যাবটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে বন্ধের প্রায় এক বছর পর পুনরায় নতুন সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ইউটিউব।

২০০৫ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ইউটিউবে কোটি কোটি ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। আর তাই ইউটিউবে থাকা পুরোনো ভিডিওগুলোর খোঁজ করা বেশ ঝামেলার, সময়ও বেশি প্রয়োজন হয়। নতুন এ সুবিধা চালু হলে পুরোনো যেকোনো ভিডিও দ্রুত খুঁজে পাওয়া যাবে।

সূত্র: ম্যাশেবল

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

ক্রোম ব্রাউজারে নতুন যে সুবিধা পাওয়া যাবে
***********************************************************************
অনলাইনে তথ্য খোঁজা বা কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ব্যবহারকারীদের অবস্থান, সার্চ ইতিহাসসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ব্রাউজারসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইট। আর তাই ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের অনেকে ইনকগনিটো বা প্রাইভেট মোড চালু করে অনলাইনে তথ্য খোঁজ করেন। এই সুবিধা চালু থাকলে সার্চ ইতিহাস, কুকিজ ও ডাউনলোডের কোনো তথ্য সংগ্রহ করে না ব্রাউজার। শুধু তা-ই নয়, এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা ওয়েবসাইট থেকেও নিজেকে লুকিয়ে রাখা সম্ভব। তবে ইনকগনিটো মোড চালু থাকলে কোনো ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট নেওয়া যায় না। ফলে প্রয়োজনের সময় বেশ সমস্যা হয়। আর তাই এবার ইনকগনিটো মোড চালু থাকা অবস্থায় স্ক্রিনশট নেওয়ার সুযোগ চালু করতে যাচ্ছে গুগল।

নতুন এ সুবিধা চালু হলে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা যেকোনো ফোনে ইনকগনিটো মোড চালু থাকা অবস্থায় ওয়েবসাইটের পর্দার ছবি তোলা যাবে। শুধু তা–ই নয়, পর্দার ছবি তোলা হলেও ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করবে না ওয়েবসাইট। এরই মধ্যে ক্রোম ব্রাউজারের ইনকগনিটো মোডে এ সুবিধার কার্যকারিতা পরখ করছে গুগল।

জানা গেছে, ক্রোম ব্রাউজারের ইনকগনিটো মোড ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট নিতে গেলে ‘ক্যানারি ফ্ল্যাগ’ নামের একটি অপশন দেখতে পারবেন। অপশনটি চালু করলে ইনকগনিটো মোডে থাকা অবস্থায় যেকোনো ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে। ক্রোম ব্রাউজারের হালনাগাদ সংস্করণে শিগগিরই এ সুবিধা যুক্ত করা হতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

হোয়াটসঅ্যাপের ‘ইন অ্যাপ চ্যাট সাপোর্ট’ আসছে কম্পিউটারে
***********************************************************************
আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য ‘ইন অ্যাপ চ্যাট সাপোর্ট’ চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ। এরই মধ্যে নিজেদের উইন্ডোজ অ্যাপের হালনাগাদ বেটা সংস্করণে এ সুবিধার কার্যকারিতা পরীক্ষা করছে মেটার মালিকানাধীন ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটি।

নতুন এ সুবিধা চালু হলে উইন্ডোজ কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা বন্ধু বা পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে বার্তা বা ছবি আদান-প্রদানের সময় অ্যাপ থেকেই সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপের কাছে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান জানার জন্য বার্তা পাঠাতে পারবেন। শুধু তা–ই নয়, চাইলে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট বা পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগও করা যাবে। মাইক্রোসফট স্টোর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ উইন্ডোজ অ্যাপের বেটা সংস্করণ নামিয়ে এ সুবিধা পরখ করা যাবে।

হোয়াটসঅ্যাপের বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ডব্লিউএবেটা ইনফো জানিয়েছে, নতুন এ সুবিধা চালু হলে বর্তমানের মতো হোয়াটসঅ্যাপের সহযোগিতা পেতে ই-মেইল পাঠাতে হবে না। অর্থাৎ অ্যাপ থেকেই সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপের কাছে বার্তা পাঠিয়ে বিভিন্ন কারিগরি সহায়তা পাওয়া যাবে। ফলে হোয়াটসঅ্যাপের সহায়তা পেতে সময় বাঁচবে। শিগগিরই এ সুবিধা উন্মুক্ত করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি কম্পিউটার থেকে অডিও এবং ভিডিও কল করার সুযোগ চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। শুধু তা–ই নয়, ডেস্কটপ সংস্করণ ব্যবহারকারীদের সব বার্তা ও অডিও-ভিডিও কলে এন্ড টু এন্ড নিরাপত্তার সুবিধাও যুক্ত করেছে। ফলে ফোনের মতো কম্পিউটারে হোয়াটসঅ্যাপের সব সুবিধা ব্যবহার করা যায়।

সূত্র: গ্যাজেটস৩৬০

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

প্রেমের গুঞ্জনের মধ্যে এক পার্টিতে ইব্রাহিম ও পলক তিওয়ারি
***********************************************************************
বলিউড তারকা সাইফ আলী খানের পুত্র ইব্রাহিম আলী খানের সঙ্গে অভিনেত্রী শ্বেতা তেওয়ারির কন্যা পলক তিওয়ারির প্রেমের গুঞ্জনের মধ্যেই তাঁকে এক পার্টিতে দেখা গেছে। গতকাল বুধবার রাতে মুম্বাইয়ে অভিনেতা করণ মেহতার জন্মদিনের পার্টিতে ছিলেন তাঁরা।

দুজনেই কালো রঙের পোশাক পরেছিলেন। তবে তাঁরা একসঙ্গে আসেননি, আলাদা সময়ে পার্টিতে এসেছেন। দুজনের ভিডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে বলছেন, ‘সুন্দর যুগল’।

গত বছরের শেষভাগে ইব্রাহিমকে নিয়ে মুম্বাইয়ের এক রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় পাপারাজ্জিদের ক্যামেরা দেখে মুখ লুকিয়েছিলেন পলক তিওয়ারি। এর পর থেকে দুজনের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও পরে পলক দাবি করেছেন, তাঁরা শুধুই বন্ধু, তাঁর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নেই।

গত বছর সালমান খানের ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক ঘটেছে পলক তিওয়ারির। এর আগে ২০২১ সালে ‘বিজলি বিজলি’ শিরোনামে এক মিউজিক ভিডিওতে মডেলিং করে আলোচনায় এসেছিলেন পলক। এর মধ্যে করণ জোহরের একটি সিনেমায় অভিনয়ের কথা রয়েছে ইব্রাহিমের।

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

হাতে রক্তাক্ত হাতুড়ি, পাশে হায়েনা, জন্মদিনে এমন ছবি কেন দিলেন বিজয়
***********************************************************************
তামিল সিনেমার অন্যতম সফল নায়ক বিজয়। তাঁর নতুন ছবি মানেই যেন বক্স অফিসে ঝড়। বিজয়ের পরের ছবি ‘লিও’ নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। গত রাতে প্রকাশ করা হয়েছে ছবিটির ফার্স্ট লুক পোস্টার। যেখানে রক্তাক্ত হাতুড়ি হাতে দেখা গেছে বিজয়কে, পাশে দেখা যাচ্ছে হিংস্র এক হায়েনাকে। মধ্যরাতে ছাড়া এই ফার্স্ট লুকটি ভক্তদের চমকে দিয়েছে।

আজ থালাপতি বিজয়ের জন্মদিন। ৪৯-এ পা দিলেন এই দক্ষিণি তারকা। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে আজ প্রকাশ করা হবে ‘লিও’ সিনেমার গান—সেটা আগেই জানা ছিল। তবে ছবির প্রথম পোস্টারও যে আসবে, সেটা কেউই জানত না।

গতকাল বুধবার মধ্যরাতে বিজয়ের জন্মদিনের প্রথম প্রহরে ‘লিও’র পোস্টার তাই এসেছে ভক্তদের জন্য বড় চমক হয়ে।

ছবির পোস্টার দেখে ভক্তরা নানা ধরনের বিশ্লেষণ শুরু করেছে। আগে প্রকাশিত টিজারের সূত্র ধরে কেউ বলছেন, ছবিটিতে বিজয় একজন চকলেট ব্যবসায়ী। কিন্তু তাঁর ‘গোপন’ অতীত আছে। এখন চকলেট নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও আগে তাঁর সে ছিল কুখ্যাত গ্যাংস্টার। তবে নিরুত্তাপ জীবন বেশি দিন কাটাতে পারেন না বিজয়, দ্রুতই হাজির হতে হয় পুরোনো পরিচয়ে।

পরিচালক লোকেশ কঙ্গরাজের ‘লোকেশ সিনেমাটিক ইউনিভার্স’-এর তৃতীয় কিস্তি ‘লিও’। ফলে, অনেকেই মনে করছেন ইউনিভার্সের আগের দুই ছবি ‘কাইথি’ ও ‘বিক্রম’-এর অনেক চরিত্রই ‘লিও’তে দেখা যাবে।

চলতি বছরের ২ জানুয়ারি তামিল নাড়ুর চেন্নাইতে শুরু হয় ‘লিও’র শুটিং। ছবির বড় অংশের শুটিং হয়েছে কাশ্মীরে। চলতি বছরের ১৯ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। প্রায় ৩০০ কোটি রুপি বাজেটের ছবিটিতে বিজয় ছাড়া আরও আছেন তৃষ্ণা কৃষ্ণান, সঞ্জয় দত্ত, প্রিয়া আনন্দ, গৌতম মেনন।

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য ট্রাফিক পুলিশে কাজ করতেন আব্বাস
***********************************************************************
১৯৭০–এর দশকেই সাড়া জাগিয়েছিলেন ইরানে। দেশের অনেক মানুষের কাছে একসময় তিনি আইকনে পরিণত হন। সিনেমা দিয়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপ থেকে গোটা বিশ্বে। চলচ্চিত্র অঙ্গনের নতুন সম্ভাবনার দ্বার সূচিত করা মানুষটির নাম চলচ্চিত্র পরিচালক আব্বাস কিয়ারোস্তামি। আজ ২২ জুন তাঁর জন্মদিন। একসময় পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য ট্রাফিক পুলিশে কাজ করতেন আব্বাস। তারপরের গল্প যেন সিনেমার মতোই। শিশুদের জন্য ভিডিও বানানো এক শিক্ষক কীভাবে চলচ্চিত্রবিশ্বে জায়গা করেন নেন? কেন এখনো তিনি অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক?

কিয়ারোস্তামি তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলায় পড়াশোনা করে গ্রাফিকস ডিজাইনার হিসেবে কাজ শুরু করে। তখনো সিনেমা তাঁকে ততটা পায়নি। সে সময়ই তিনি শিশু–বয়স্কদের বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়নে (দ্য সেন্টার ফর দ্য ইন্টেলেকচুয়াল ডেভেলপমেন্ট অব চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়াং অ্যাডাল্ট) যোগ দেন। এই কাজ করতে গিয়ে তাঁর মনে হয়, পাঠদানের চেয়ে শিশুদের ভিজুয়াল কোনো মাধ্যমে শেখালে কেমন হয়? এই প্রথম শিশুদের জন্য হাতে তুলে নেন ক্যামেরা। বানিয়ে ফেলেন ভিডিও চিত্র, যার মূল বিষয় ছিল, একটি ছোট শিশুর হাতে রুটি। এটি কিনে শিশুটি বাড়ি ফিরছে। হঠাৎ একটি কুকুর তার পিছু নেয়। একসময় সামনে এসে দাঁড়ায়। ভয়ে কুঁকড়ে যায় শিশুটি। এমন পরিস্থিতিতে শিশুরা কী করবে?

এমন প্রশ্নে ইরানের অভিভাবকেরাও তখন শঙ্কিত ছিলেন। কারণ, রাস্তায় প্রায়ই কুকুর দেখে শিশুরা ভয় পেত। ভিডিওটিতে এর উত্তর দেন কিয়ারোস্তামি। তিনি ভিডিওতে দেখান, শিশুটি নিরুপায় হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পরে তার মাথায় বুদ্ধি খেলা করে। রুটির কিছুটা অংশ ছুড়ে ফেললে দেখা যায়, কুকুর সেটা খেতে থাকে। কিছুটা দূরে ছুড়ে দিলে কুকুরও দূরে দৌড়ে চলে যায়। কুকুর তখন শিশুটির বশ্যতা মানে। এ সময় শিশুটি দৌড়ে তার বাসায় চলে আসে।

প্রথম শিক্ষনীয় ভিডিও শর্ট ‘ব্রেডস অ্যান্ড অ্যালি’ বানিয়েই প্রশংসা পান এই পরিচালক। পরবর্তী বেশির ভাগ কাজেই বেছে নেন শিশুদের। শিশুদের নিয়ে প্রথম কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে ২০০৫ সালে গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারোস্তামি বলেছিলেন, ‘ব্রেড অ্যান্ড অ্যালিই আমাকে সিনেমা বানানোতে আকর্ষণ করে। কাজগুলো শিশুতোষ সমস্যা নিয়ে নির্মিত হতো। শুরুতে সেটা ছিল আমার চাকরির অংশ। এই কাজই আমাকে শিল্পী করে তুলেছে। একই সঙ্গে শিখিয়েছে, সিনেমা বানানো কঠিন কাজ।’ একাধিক শিক্ষণীয় ভিডিও বানিয়ে কিয়ারোস্তামি শুরু করেন প্রথম সিনেমা ‘দ্য রিপোর্ট’ নির্মাণের কাজ।

গল্প শোনানোর চেয়ে গল্প শোনার আগ্রহ ছিল কিয়ারোস্তামির। কাজ করতে গিয়ে সবার আগে প্রাধান্য পেত গল্প শোনা। শিশুদের অভিভাবকদের সঙ্গে খাতির জমিয়ে গল্প শুনতেন। বাস্তবের সেসব গল্প ‘দ্য এক্সপেরিয়েন্স’, ‘দ্য ট্রাভেলার’, ‘আ স্যুট ফর ওয়েডিং’, ‘ক্লোজ আপ’সহ প্রায় সব সিনেমায় স্থান পায়। তাঁর খ্যাতি বাড়তে থাকে। তত দিনে তাঁর ট্রেডমার্ক হয়ে যায় কালো চশমা পরা পরিচালক, যাঁর কাজের প্রধান অংশ হয়ে দাঁড়ায় ইরানের অদেখা গ্রামের গল্প। সেগুলো চিত্রকরের আঁকা ছবি হয়ে কিয়ারোস্তামির ক্যামেরায় ধরা দিতে থাকে। বিশ্বের সিনেমা সমালোচকদের কাছে তিনি হয়ে ওঠেন সিনেমার কবি। তাঁর সিনেমায় মুখ্য হয়ে ওঠে দীর্ঘ সময়ব্যাপ্তির শট, সংলাপের অযথা ব্যবহার না করে ক্যামেরার মাধ্যমে দৃশ্যপট-গল্পকে কাজে লাগানো।

আয়োজন খুবই কম। গ্রামের লোকেশন আর অপেশাদার অভিনয়শিল্পীদের কাজে লাগান কিয়ারোস্তামি। সিনেমায় ভয়েস ওভারে সরাসরি পার্সিয়ান কবিতার লাইনগুলো যেন মুগ্ধতা বাড়িয়ে তোলে। কিয়ারোস্তামির বিচিত্র সব ভাবনা বিচিত্র সব পথে গেছে এবং তিনি যা নির্মাণ করেছেন, তার সব কটিই অর্জন করেছে নতুন নতুন অর্থ। এমনকি এ সময় ‘এবিসি আফ্রিকা’ বা ‘টেন অন টেন’-এর মতো যেসব তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন, তা–ও অনন্য। ‘সার্টিফায়েড কপি’, ‘শিরিন’ ও ‘লাইক সামওয়ান ইন লাভ’ ছবিগুলোর কথাও এখানে উল্লেখ করা দরকার।

কান চলচ্চিত্র উৎসব কিংবা ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব যেটাই বলি, তাকে শুনতে হতো, অপেশাদার অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা কতটা কঠিন? তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি গ্রামের গল্পগুলো টানে। আর আমি কখনোই পুরো গল্প লিখি না। চিত্রনাট্যও না। যখন চরিত্রগুলো খুঁজে পাই, তখন তাদের সঙ্গে অনেক সময় কাটাই। খুব কাছ থেকে তাদের জানার চেষ্টা করি। বাস্তবের চরিত্রের সঙ্গেও কথা বলে বোঝার চেষ্টা করি। এই প্রক্রিয়ায় আমাকে দীর্ঘ ছয় মাসের মতো সময় দিতে হয়। এ সময় আমি শুধু নোট নিই। পুরো গল্পটি মাথায় নেওয়ার পর আমি চিত্রনাট্য লেখা শুরু করি। পরে শুটিং শুরু করি। কিন্তু কোনো মহড়া করি না। কিন্তু মূল চরিত্রের মতো আমি তাদের অনেক কাছে চলে যাওয়ার চেষ্টায় থাকি।’

চার যুগের ক্যারিয়ারে কিয়ারোস্তামির ছোঁয়ায় প্রাণ পেয়েছে ইরানের গ্রামের অনেক না বলা গল্প। বাস্তবতা ও কল্পনার আশ্রয়ে তাঁর সিনেমাগুলো কাব্যিক হয়ে ধরা দেয় বিশ্ববাসীর কাছে। তাঁকে তুলনা করা হয় সত্যজিৎ রায়, ভিত্তো ডি সিকা, জ্যাকুয়িস টাটিদের মতো বিখ্যাত পরিচালকদের সঙ্গে। এর অন্যতম কারণ ছিল, কিয়ারোস্তামির প্রতিটি কাজই ছিল নিরীক্ষামূলক। সব সিনেমায়ই চিত্রায়ণে ভিন্নতা নিয়ে কাজ করতেন, ভিন্ন ধরনের নির্মাণপদ্ধতি ও কৌশল নিয়ে কাজ করতেন। এসব নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল, কম বাজেটে কীভাবে সিনেমা বানানো যায়, ইরানের তরুণ নির্মাতাদের সেটা দেখানো।

বলে রাখা দরকার, ৭০ দশকে যখন ইরানিয়ান নিউ ওয়েব জাগ্রত হচ্ছে, তখনই দারিউস মেহের জুঁইয়ের সঙ্গে কাজ শুরু করেন কিয়ারোস্তামি। ইরানিয়ান নিউ ওয়েব প্রতিষ্ঠায় তিনিও ভূমিকা রাখেন। ‘ক্লোজ আপ’, ‘দ্য উইন্ড উইল ক্যারি আস’, ‘টেস্ট অব চেরি’, ‘হোয়্যার ইজ দ্য ফ্রেন্ডস হোম?’ সিনেমাগুলো সে কথাই বলে। রাজনৈতিক বাধাও তাঁকে দমাতে পারেনি। ১৯৯৯ সালে ইরান বিপ্লবের পর অনেক শিল্পীই দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু, কিয়ারোস্তামি তখন ইরানেই নতুন সরকারের কঠোরতার মধ্যেই নিজের কাজ করে যাচ্ছিলেন। বাস্তবতা ও রাজনৈতিক মিশেলে গল্পগুলো দিয়ে একের পর এক সিনেমা বানিয়েছেন। তাঁর নির্মাণের বৈচিত্র্য দিয়েই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, আব্বাস কিয়ারোস্তামি দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না। সব বাধা উপেক্ষা করে তিনি গভীর মনস্তাত্ত্বিক রাজনৈতিক বক্তব্যের সিনেমা বানান। যেসব সিনেমার অর্থ সহজেই ইরানের প্রশাসনের বোধগম্য হতো না।

কিয়ারোস্তামি ‘থ্রো দ্য অলিভ ট্রি’ দিয়ে ১৯৯৪ সালে প্রথম কান চলচ্চিত্র উৎসবে পামদ’রের জন্য মনোনয়ন পান। তিন বছর ‘টেস্ট অব চেরি’র জন্য কান উৎসবে সর্বোচ্চ পুরস্কার জয় করেন। শুধু কানই নয়, ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবেও গ্র্যান্ড প্রাইজসহ একাধিক পুরস্কার জয় করেছেন। ইউনেস্কোর স্বর্ণপদকসহ বিশ্বের একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন এই পরিচালক, লেখক, কবি ও প্রযোজক। কিয়ারোস্তামি ১৯৪০ সালে তেহরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ৪ জুলাই ৭৬ বছর বয়সে মারা যান।

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

মধুচন্দ্রিমা থেকে ফিরে কাজের জন্য প্রস্তুত আশিস বিদ্যার্থী
***********************************************************************
২৫ মে বিয়ে করেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা আশিস বিদ্যার্থী। আসামের মেয়ে রুপালি বড়ুয়ার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ৫৭ বছর বয়সী এই খল অভিনেতা। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রলের শিকার হন তিনি। হয়েছেন সমালোচনার মুখোমুখি। তবে নেটিজেনদের এসব পাত্তা দেননি তিনি। তাঁদের কটাক্ষের জবাবও দিয়েছিলেন এই অভিনেতা। নেটিজেনদের প্রতি ছুড়ে দিয়েছিলেন প্রশ্ন, বয়স হলে কি মানুষের বাঁচার অধিকার থাকে না? বয়স্ক ব্যক্তিদের অসুখী হয়েই মরতে হবে?
নেটিজেনদের সমালোচনায় কান দেননি তিনি। করে গিয়েছেন নিজের কাজ। গত সপ্তাহে নতুন স্ত্রী রুপালি বড়ুয়ার সঙ্গে মধুচন্দ্রিমায় সিঙ্গাপুর যান আশিস। সেখান থেকে ফিরেই কাজে ফেরার জন্য প্রস্তুতের ঘোষণা দেন তিনি। বিয়ের পর গত এক মাস অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন এই বলিউড অভিনেতা। এবার ফেরার পালা।

গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানালেন, কাজের জন্য এবার প্রস্তুত তিনি। এর সঙ্গে তিনি তাঁর পুরোনো দিনের বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেন এবং লেখেন তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম দিকের গল্প। অভিনয় ক্যারিয়ারে অধিকাংশ সময় খল চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশিস। তিনি জানান, অনেকেই খল অভিনেতা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে কুণ্ঠা বোধ করলেও তিনি এই চরিত্রে অভিনয় করে গর্বিত মনে করেন।

ইনস্টাগ্রামে তিনি লেখেন, ‘আমাদের কাজ আমাদের হয়ে কথা বলবে, যার জন্য আমরা গর্বিত হব। নিজেদের জন্য এবং আমাদের ওপর যাঁরা নির্ভরশীল, তাঁদের ভালো ভবিষ্যৎ তৈরির জন্য কাজ করি। এই কাজ নিয়ে কথা বলতে আমরা কেন লজ্জা পাব এবং নিজেদের ছোট মনে করব?’ তিনি অন্যান্য অভিনেতার প্রতি উপদেশ দেন যে ঘৃণা, নেতিবাচক সমালোচনা এবং অপ্রীতিকর মন্তব্য—এগুলো থাকবেই, তবে থেমে যাওয়া যাবে না। চলতে হবে নিজের লক্ষ্যের দিকে।

এখন আপাতত আশিস বিদ্যার্থীর হাতে নতুন কোনো সিনেমার কাজ নেই। তবে তিনি অভিনয়ের জন্য এখন প্রস্তুত। খুব শিগগিরই হয়তো নতুন কাজের ঘোষণা দেবেন তিনি।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Magazine
Magazine
3 yrs

ট্রলের মুখে অভিনয় ছাড়তে চেয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
***********************************************************************
সামাজিক মাধ্যমে বিদ্রূপের মুখে অভিনয় ছাড়ার চিন্তা করেছিলেন হংকংয়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী গ্রেস চ্যান। ২০১৫ সালে ‘রাইজিং দ্য বার’ সিরিজে প্রথমবারের মতো মূল চরিত্রে হাজির হয়েছিলেন তিনি, তখন তাঁকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অনেকে ট্রল করেছেন। সম্প্রতি একটি আয়োজনে অংশ নিয়ে সেই দুঃসহ সময়ের স্মৃতিচারণা করেছেন তিনি।

৩১ বছর বয়সী অভিনেত্রী গ্রেস চ্যান বলেন, ‘তখন আমার কোনো অভিজ্ঞতা কিংবা প্রশিক্ষণ ছিল না, আমাকে নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছিল। অন্য মানুষকে দেখলেই ভয় লাগছিল, ঘর থেকে বের হতে ইচ্ছা করছিল না। ’
তাঁর অভিযোগ, তখন অনেকে তাঁর চেহারা ও পারিবারিক অবস্থা নিয়েও কটু মন্তব্য করেছেন। তাঁর ভাষ্যে, ‘খুবই হতাশ ছিলাম, অভিনয় ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম। সেটা আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল। ’

সেই ঘটনার ৯ বছর পর নিজেকে হংকংয়ের শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন গ্রেস চ্যান। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমি নিজেকে নিয়ে স্বস্তি বোধ করছি। আগে যদি আমার ২০ ভাগ আত্মবিশ্বাস থাকে, এখন সেটা ৬০ ভাগে উন্নীত হয়েছে। ’

২০১৩ সালে মিস হংকং নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৪ সালে ‘ওভারঅ্যাচিভারস’ নামে একটি সিরিজে অভিনয় করেন তিনি। সিরিজের পাশাপাশি ‘লন্ড্রি শপ স্টারস ইভেন্ট’ ও ‘কি–বোর্ড ওয়ারিয়স’ নামে সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন তিনি।

source : প্রথম আলো

image
Like
Comment
Share
Showing 12463 out of 21305
  • 12459
  • 12460
  • 12461
  • 12462
  • 12463
  • 12464
  • 12465
  • 12466
  • 12467
  • 12468
  • 12469
  • 12470
  • 12471
  • 12472
  • 12473
  • 12474
  • 12475
  • 12476
  • 12477
  • 12478

Edit Offer

Add tier








Select an image
Delete your tier
Are you sure you want to delete this tier?

Reviews

In order to sell your content and posts, start by creating a few packages. Monetization

Pay By Wallet

Payment Alert

You are about to purchase the items, do you want to proceed?

Request a Refund