২০১৩ সালে অ্যালেক্স লুইস মনে করেছিলেন, তিনি হয়তো সাধারণ ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন। সেই ধারণা নিয়েই তিনি হাসপাতালে যান।
কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার ত্বক বেগুনি রঙ ধারণ করে। চিকিৎসকেরা জানান, তিনি গ্রুপ–এ স্ট্রেপটোকক্কাল ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন, যা দ্রুত সেপসিস-এ রূপ নিয়েছিল—এটি রক্তের অত্যন্ত প্রাণঘাতী সংক্রমণগুলোর একটি।
চিকিৎসকেরা তার পরিবারকে সতর্ক করে দেন যে, তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।
জীবন বাঁচানোর জন্য অ্যালেক্সকে এক অকল্পনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তিনি নিজের চারটি অঙ্গ—দুই হাত ও দুই পা—এবং মুখের একটি অংশ কেটে ফেলার (অ্যাম্পুটেশন) অনুমতি দেন।
অস্ত্রোপচারগুলো ছিল অত্যন্ত জটিল, সুস্থ হয়ে ওঠার পথ ছিল দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক, আর ব্যথা ছিল অবিরাম।
তবুও অ্যালেক্স হার মানেননি।
বর্তমানে তিনি একজন প্রেরণাদায়ক বক্তা ও সমাজসেবী হিসেবে কাজ করছেন। নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি হাজারো মানুষকে সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছেন।
অ্যালেক্সের ভাষায়, যে বছরটি তার শরীরকে ভেঙে দিয়েছিল, সেই বছরই শেষ পর্যন্ত তার জীবনকে নতুন করে বাঁচিয়ে দিয়েছে।