ডিজিটাল শিক্ষার দুটি অ্যাপ আনল এসিআই
***********************************************************************
শিক্ষার্থীদের ঘরে বসে ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ দিতে ‘মেধাবীর সুপারনোভা’ ও ‘কিডস ব্রেন বিল্ডার’ নামের দুটি অ্যাপ তৈরি করেছে এসিআই। আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এসিআই সেন্টারে অ্যাপ দুটির উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। মেধাবীর সুপারনোভা অ্যাপটি মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের জন্য। অ্যাপটিতে বিষয়ভিত্তিক অ্যানিমেটেড ভিডিও, পিডিএফ, অধ্যায় অনুযায়ী অনুশীলন এবং পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিষয়ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন ও মডেল টেস্টও দেওয়া যাবে। ফলে ডিজিটাল শিক্ষামাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যাবে অ্যাপটি। অন্যদিকে কিডস ব্রেন বিল্ডার অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে ৩ থেকে ১২ বছরের শিক্ষার্থীদের জন্য। শিক্ষামূলক অ্যাপটিতে অ্যানিমেশন ভিডিও, গেম, বুদ্ধির পরীক্ষা, চ্যালেঞ্জ, ভাষা ও বিজ্ঞানবিষয়ক ভিডিওও রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ দুটি গুগল প্লে স্টোর থেকে বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহ থাকতে হবে। সমস্যা খুঁজে বের করে সেগুলো সমাধান করতে হবে। আগে শুধু পড়া মুখস্থ করতে হলেও এখন দিন বদলেছে। এ অ্যাপ দুটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে শেখার সুযোগ করে দেবে। একই সঙ্গে শিশুদের পড়ালেখার ব্যাপারে আগ্রহী ও কৌতূহলী করে তুলবে।
এক ভিডিও বার্তায় অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ বলেন, ‘শিশুদের আনন্দময় শিক্ষার ব্যবস্থা করছে সরকার। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষাকে ডিজিটাল করতে হবে। ডিজিটাল যুগের চাহিদা মেটাতে ও শিক্ষার্থীদের কৌতূহল ধরে রাখতে শিশুদের শেখার মাধ্যম হতে হবে সহজ ও আনন্দময়। আমার বিশ্বাস, শিক্ষা ও প্রযুক্তির এমন অসাধারণ সমন্বয়ের মাধ্যমেই তরুণ প্রজন্ম ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নপূরণের দিকে এগিয়ে যাবে।’
এসিআই লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ দৌলা বলেন, ‘শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে শিশুদের প্রতিভা ও শেখার ক্ষমতার বিকাশ ঘটাতে হবে। আমরা শিশুদের শেখা ও জানার পদ্ধতিকে আরও সহজ করতে চাই। শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত শিশুদের কাছে বিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলো অ্যানিমেশন ও উদাহরণের মাধ্যমে শেখার সুযোগ পৌঁছে দেওয়াই আমাদের স্বপ্ন।’
স্বপ্নের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান বলেন, ‘আসুন, সবাই মিলে আমাদের সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়তা করি ও আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’
Source: প্রথম আলো
অগমেন্টেড রিয়েলিটির হেডসেট দেখাল শাওমি
***********************************************************************
প্রথমবারের মতো এআর (অগমেন্টেড রিয়েলিটি) প্রযুক্তির হেডসেট তৈরি করেছে চীনা টেলিযোগাযোগ পণ্য নির্মাতা শাওমি। আজ সোমবার স্পেনের বার্সেলোনায় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের (এমডব্লিওসি) প্রথম দিনে হেডসেটটি প্রদর্শন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
শাওমি ওয়্যারলেস এআর গ্লাস ডিসকভারি এডিশন মডেলের হেডসেটটিতে দুটি মাইক্রোওএলইডি প্রযুক্তির কাচ থাকায় স্বচ্ছন্দে অগমেন্টেড রিয়েলিটির ছবি দেখা যায়। স্ন্যাপড্রাগন এক্সআর২ জেনারেশন ওয়ান প্রসেসরে চলা হেডসেটটি হাত নড়াচড়া করেও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
শাওমির তথ্যমতে, ওয়্যারলেস প্রযুক্তি থাকায় চাইলেই নির্দিষ্ট মডেলের ফোনের সঙ্গে যুক্ত করে ব্যবহার করা যাবে হেডসেটটি। ফলে ফোনে থাকা বিভিন্ন অ্যাপ চালু বা বন্ধ করার পাশাপাশি ইউটিউব ও টিকটক ভিডিও সিনেমার আদলে বড় পর্দায় দেখা যাবে। চাইলে ফোন থেকেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে হেডসেটটি।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মুঠোফোন অপারেটরদের সংগঠন জিএসএমএ আয়োজিত চার দিনের মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে নিজেদের তৈরি হালনাগাদ প্রযুক্তিপণ্যের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আসতে যাওয়া প্রযুক্তি প্রদর্শন করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
সূত্র: ম্যাশেবল
Source: প্রথম আলো
তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নিতে দরকার সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন
***********************************************************************
রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে চারদিনের সফটওয়্যার মেলা ‘বেসিস সফটএক্সপো–২০২৩’ গতকাল রাতে শেষ হয়েছে। সন্ধ্যায় মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, প্রণোদনার বদলে নীতিগত সহায়তা শিল্পের চেহারা বদলে দিতে পারে। আর্থিক প্রণোদনা একটা পর্যায়ে নিয়ে যায়, তবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য দরকার সঠিক নীতিমালা। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উপযোগী সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, আইসিটি বিভাগ এখন সফটওয়্যার ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি জ্ঞানকে আরও বাড়ানোর জন্য এ বছর থেকে কোডিং, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা শিক্ষা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে প্রাথমিক স্কুল থেকে ১০ লাখ কোডার তৈরির কাজ চলছে। সরকার যদি ২০২৪ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা না দিত তাহলে আজকের আইসিটি খাত এতটা বিকশিত হতো না।
মেলার আয়োজক বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি রাসেল টি আহমেদ বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে ৫০০ কোটি ডলার রপ্তানির যে চ্যালেঞ্জ নেওয়া হয়েছে তা অর্জন মোটেও অসম্ভব নয়। শুধু এটিই নয়, ২০৩১ সাল নাগাদ আমরা এই খাত থেকে ২০০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয় করতে পারি। এ জন্য সরকার, একাডেমি ও বেসরকারি খাতগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিদেশে আমাদের সক্ষমতা তুলে ধরতে প্রচারণাও চালাতে হবে।
Source: প্রথম আলো
অপো, ভিভো ও শাওমি ফোনেও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো যাবে
***********************************************************************
কোয়ালকমের তৈরি প্রসেসরে চলা হালনাগাদ মডেলের অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকেও স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের সংযোগ ব্যবহার করে বার্তা পাঠানো যাবে। এ সুবিধা চালুর জন্য অপো, ভিভো, শাওমি, মটোরোলা, অনারসহ বিভিন্ন ফোন নির্মাতা কাজ করছে বলে জানিয়েছে কোয়ালকম টেকনোলজিস। স্পেনের বার্সেলোনায় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি) শুরুর আগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছে প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্বের মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন জিএসএমএ আয়োজিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস প্রদর্শনী শুরু হবে আজ সোমবার, চলবে আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত।
গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিপণ্যের মেলা কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক শোতে (সিইএস) স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরনির্ভর স্যাটেলাইট প্রযুক্তি উন্মুক্ত করে কোয়ালকম। স্যাটেলাইট ফোন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইরিডিয়ামের সঙ্গে চুক্তিও করে তারা। কোয়ালকমের তথ্যমতে, ভবিষ্যতে আসতে যাওয়া আরএফ মডেম এবং ৪ ও ৮ সিরিজের স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে স্যাটেলাইটে বার্তা আদান-প্রদান করা যাবে। তবে কবে নাগাদ বা কোন মডেলের ফোনে স্যাটেলাইট সুবিধা যুক্ত হবে, সে বিষয়ে ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কোয়ালকম জানিয়েছে, এ বছরের শেষ নাগাদ নির্দিষ্ট দেশে এ সুবিধা চালু হতে পারে।
কোয়ালকমের তথ্যমতে, স্ন্যাপড্রাগন স্যাটেলাইটের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে জরুরি বিপদ বার্তা পাঠানো যাবে। শুধু তা-ই নয়, মোবাইলে নেটওয়ার্ক না থাকলেও অন্যদের বিপদ বার্তা পাঠানোর সুযোগ মিলবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইমার্জেন্সি এসওএস সুবিধা চালু করে অ্যাপল। এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে আইফোন ১৪ সিরিজের ব্যবহারকারীরা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে জরুরি বিপদ বার্তা পাঠাতে পারেন। এরই মধ্যে কয়েকজন আইফোন ব্যবহারকারীর জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছে অ্যাপলের ইমার্জেন্সি এসওএস সুবিধা।
সূত্র: টেক ক্র্যান্চ
Source: প্রথম আলো
আউটলুকে ইভেন্ট তৈরি করবেন যেভাবে
***********************************************************************
মাইক্রোসফটের ই–মেইল সুবিধা আউটলুক নিয়মিত ব্যবহার করেন অনেকেই। আউটলুকের মাধ্যমে ই–মেইল বিনিময়ের পাশাপাশি ক্যালেন্ডার, টাস্ক ম্যানেজার, কন্ট্যাক্ট ম্যানেজার ব্যবহারের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের নোটও নেওয়া যায়। আউটলুকের ওয়েব সংস্করণে চাইলে বিভিন্ন ইভেন্টও (অনুষ্ঠান) তৈরি করা সম্ভব।
আউটলুকে ইভেন্ট তৈরির জন্য প্রথমে কম্পিউটার থেকে আউটলুকে প্রবেশ করে পর্দার বাঁ দিকের নেভিগেশন অপশনের নিচে থাকা ক্যালেন্ডার আইকনে ক্লিক করতে হবে। এরপর বাঁ দিকের ওপরে থাকা ‘নিউ ইভেন্ট’ অপশনে ক্লিক করে ইভেন্টের নাম, বিষয়, স্থান, তারিখ, শুরু ও শেষ হওয়ার সময়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করতে হবে। এবার ইনভাইট অ্যাটেনডেন্স অপশনে ক্লিক করে আমন্ত্রিত ব্যক্তিদের ই-মেইল ঠিকানা লিখলেই নির্দিষ্ট দিনের জন্য ইভেন্ট তৈরি হয়ে যাবে।
ইভেন্টের দিনক্ষণ সহজে মনে রাখার জন্য রিমাইন্ডারও ব্যবহার করা যায় আউটলুকে। এ জন্য ইভেন্ট তৈরির পর অ্যাড এ রিমাইন্ডার অপশনে ক্লিক করে তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করতে হবে। ক্যালেন্ডারে ইভেন্টের তথ্য যুক্ত করতে চাইলে সেভ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবার ফরোয়ার্ড অপশনে ক্লিক করলেই নির্বাচিত ব্যক্তিদের ই-মেইলে ইভেন্টের তথ্য চলে যাবে।
Source: প্রথম আলো
সৌরভ নয়, আরেক বাঙালির জীবনচিত্রে রণবীর কাপুর
***********************************************************************
কলকাতায় ঝটিকা সফরে রণবীর কাপুর। গতকাল রোববার কলকাতায় গিয়েছিলেন এই বলিউড তারকা। উদ্দেশ্য ছিল তাঁর আগামী ছবি ‘তু ঝুটি ম্যায় মক্কার’–এর প্রচারণা। কিন্তু তারই মধ্যে কলকাতায় গিয়ে আরও অনেক কিছু করলেন রণবীর। যেমন ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলীর জীবনচিত্র নিয়ে সব ধোঁয়াশার অবসান করলেন তিনি। আর এ–ও জানালেন যে তাঁকে আরেক কিংবদন্তি বাঙালির জীবনচিত্রে দেখা যাবে।
বেশ কিছুদিন ধরে বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন, ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর আত্মজীবনীমূলক ছবিতে রণবীর কাপুরকে দেখা যাবে। তবে এই গুঞ্জন আগেও উঠেছিল। কিন্তু আবার ধামাচাপা পড়ে গিয়েছিল। গতকাল কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে ব্যাট হাতে রণবীরকে দেখে সবাই ধরেই নিয়েছিলেন সৌরভের জীবনচিত্রের তিনি-ই নায়ক।
কিন্তু এদিনই এক সংবাদ সম্মেলনে সব জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটান স্বয়ং সৌরভ আর রণবীর। স্বাভাবিকভাবে এদিন রণবীরকে সৌরভের বায়োপিক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এই বলিউড তারকা সাফ বলেন, ‘দাদা (সৌরভ গাঙ্গুলী) শুধু দেশের নয়, সমগ্র দুনিয়ার একজন জীবন্ত কিংবদন্তি। তাঁর জীবনচিত্র বানানো সত্যিই বিশেষ। কিন্তু সত্যি দুর্ভাগ্যজনক যে এই ছবির প্রস্তাব আমার কাছে আসেনি। আমার মনে হয় যে লভ ফিল্মস এখনো এই ছবির চিত্রনাট্য লিখছে।’
এ অনুষ্ঠানেই রণবীর জানান যে তিনি আরেক কিংবদন্তির জীবনচিত্রে সম্ভবত কাজ করতে চলেছেন। তিনি বলেন, ‘১১ বছর ধরে আমি কিশোর কুমারের বায়োপিকের ওপর কাজ করছি। অনুরাগ বসুর সঙ্গে আমি এই বায়োপিক নিয়ে লেখালেখির কাজ করছি। আশা করি, এটাই আমার আগামী বায়োপিক হবে। কিন্তু দাদার ওপর যে জীবনচিত্র নির্মাণ করা হচ্ছে, এ ব্যাপারে আমি কিছু শুনিনি। তাই এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’
রণবীর কাপুরের ‘তু ঝুটি ম্যায় মক্কার’ ছবিটি আগামী ৮ মার্চ মুক্তি পাবে। এই রোমান্টিক-কমেডি ছবিতে প্রথমবার জুটি বেঁধে আসছেন রণবীর আর শ্রদ্ধা কাপুর। ইতিমধ্যে লভ রঞ্জনের এই ছবির ট্রেলার সবাই পছন্দ করেছেন। আর ছবির গানগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। রণবীরকে ভবিষ্যতে ‘অ্যানিমেল’ ছবিতে দেখা যাবে। এ ছবিতে রণবীরের বিপরীতে ভারতীয় জাতীয় ক্রাশ খ্যাত রাশমিকা মান্দানা আছেন।
Source: প্রথম আলো
অভিনেতা হিসেবে মরতে চাই
***********************************************************************
এ সিনেমায় আপনার অভিনয় নিয়ে কলকাতায়ও চর্চা চলছে, নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিও আপনার প্রশংসা করেছেন...
সৃজিতদা আমার ‘তাকদীর’ দেখেও প্রশংসা করেছিলেন, ‘মায়ার জঞ্জাল’ দেখেও প্রশংসা করেছেন। এটা খুব ভালো লাগার। যাঁরা সিনেমা নির্মাণ করেন তাঁদের প্রশংসা ভালো কাজে অনুপ্রাণিত করে।
সমালোচকেরা বলছেন, এ ছবিতে আপনার চরিত্রটি মায়ার জঞ্জালে জর্জরিত, খানিকটা কঠিনও। আপনার কতটা কঠিন লেগেছে?
যেকোনো নতুন চরিত্রেই চ্যালেঞ্জ থাকে। আমি যে উচ্চারণে কথা বলি না, সেই উচ্চারণে কথা বলতে হয়েছে। এটার সঙ্গে আত্তীকরণ করতে হয়েছে। সত্যের শারীরিক কাঠামোও আলাদা, সেটা মাথায় রাখতে হয়েছে। চরিত্রটি কখন উচ্চকিত হবে, কখন নিম্নস্বর আসবে, সেটা রপ্ত করতে হয়েছে। যদিও চ্যালেঞ্জ ছিল কিন্তু চরিত্রটি নির্মাণ উপভোগ করেছি।
‘মায়ার জঞ্জাল’–এ জড়িয়ে গেলেন কীভাবে?
আমি তখন মেজবাউর রহমান সুমনের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের শ্যাওলা করেছিলাম। সুমন ভাইয়ের সঙ্গে কবিদার (ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী) পরিচয় ছিল। কবিদা সিনেমার সত্য চরিত্রটিকে খুঁজতে বাংলাদেশে এসেছিলেন। শ্যাওলা দেখে কবিদা ভাবেন, আমি হয়তো সত্য হতে পারব। অডিশন পছন্দ হওয়ায় আমাকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করেন।
সত্য চরিত্রটি ধারণ করলেন কীভাবে?
পুরো কৃতিত্ব চিত্রনাট্যের। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিষাক্ত প্রেম ও সুবলা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। আমি বিষাক্ত প্রেম গল্পে অভিনয় করেছি। সেই গল্প অবলম্বনে কবিদা এই সময়ের গল্প বলার চেষ্টা করেন। চরিত্রটি কেমন হবে, চরিত্রটি কীভাবে কথা বলে, তাঁর পারিবারিক বৃত্তান্ত, আর্থসামাজিক অবস্থা—কবিদার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই চরিত্রটি দাঁড় করাতে থাকি। রিহার্সাল হয়, উচ্চারণপ্রণালি ঠিক করার জন্য কর্মশালা হয়।
‘তাকদীর’, ‘ঊনলৌকিক’, ‘বলি’, ‘হাওয়া’র মতো সিনেমা, সিরিজে অভিনয় করে আলোচিত হয়েছেন। তবে এরও আগে ‘মায়ার জঞ্জাল’ সিনেমার নাম লেখানোর সময় আপনার পরিচিতি ছিল না।
একদম ঠিক বলেছেন, তখন আমার কোনো আইডেন্টিটি ছিল না। বলতে গেলে আমি কেউই ছিলাম না। কবিদা ভেবেছিলেন সোহেল সত্য হতে পারেন। ওই সময়ে এমন একটি সিনেমায় সুযোগ করে দেওয়া, ভালো ভালো শিল্পী, ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরীর মতো নির্মাতার সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য দারুণ জার্নি। সেখান থেকে অনেক কিছু শিখেছি, সেটা এখন কাজে লাগাতে পারছি।
কলকাতা থেকে কাজের প্রস্তাব পাচ্ছেন?
এখনই বলা যাবে না। ‘তাকদীর’ করার পর কলকাতায় আমার দর্শক তৈরি হয়েছে। সেই জায়গা থেকে কিছু কাজের কথা চলছে, প্রক্রিয়া চলছে। চূড়ান্ত হলে জানাতে পারব।
হাতে কী কাজ আছে?
অনুদানের সিনেমা ‘শ্যামাকাব্য’, চরকির ‘আন্তনগর’সহ কয়েকটি কাজ করছি।
ক্যারিয়ারে আপনার লক্ষ্য কী?
আমার লক্ষ্য একটাই, একজন অভিনেতা হিসেবে মরতে চাই।
অভিনয়ে এলেন কীভাবে?
স্নাতক শেষ করার পর থিয়েটারে যোগ দিই। সাংগঠনিক কাজ করতে গিয়ে অভিনয়ের প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। থিয়েটারে মহড়া করতে করতেই প্রথম সিনেমা ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’–এ কাজ করা। এরপর চড়াই–উতরাই পেরিয়ে ‘তাকদীর’ করে মানুষের স্বীকৃতি পেয়েছি। ‘হাওয়া’, ‘বলি’, ‘ঊনলৌকিক’ দিয়ে একটা জার্নি তৈরি হলো। আমাকে অভিনেতা হিসেবে দর্শক গ্রহণ করেছেন বলেই হয়তো কাজগুলো করতে পারছি।
Source: প্রথম আলো